শিরোনাম
​রাজশাহীতে ২৭নং ওয়ার্ড যুবদলের দোয়া ও ইফতার বিতরণ রূপগঞ্জে দোয়া ও ইফতার মাহফিলের আয়োজন লালমোহনে ‘‘ভলান্টিয়ার ফর বাংলাদেশ‘‘ সেচ্ছাসেবী সংগঠন'র "শান্তির প্রতিধ্বনি”২০২৬ অনুষ্ঠিত ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলের প্রধান সড়ক সামান্য বৃষ্টিতেই তলিয়ে গেছে পত্নীতলা ব্যাটালিয়ন ১৪ বিজিবির পৃথক অভিযানে মাদকদ্রব্যসহ আটক-২ সোনারগাঁয়ে জামপুর ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত চন্দনাইশে কার্ভাড ভ্যান ও ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে আহত-৩ চন্দনাইশের গাউসিয়া কমিটির আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত লালমোহন চরকচুয়ায় সরকারি গাছ কাটা বাধা দেওয়ায় হামলা- আহত ১৫ চন্দনাইশে বিওয়াইসিএফ’র দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত
রবিবার ১৫ মার্চ ২০২৬
রবিবার ১৫ মার্চ ২০২৬

বাশারের পতন: মধ্যপ্রাচ্যে রুশ কর্তৃত্বে ধাক্কা

‍আলোকিত দুনিয়া ডেস্ক
প্রকাশিত:সোমবার ০৯ ডিসেম্বর ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ০৯ ডিসেম্বর ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ

Image

এক দশকের কাছাকাছি সময় ধরে বলতে গেলে মিত্র রাশিয়ার শক্তিতেই ক্ষমতায় টিকে ছিলেন সিরিয়ার ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ। তবে সেটি গত একদিন আগের অভাবনীয় পরিবর্তন পর্যন্ত।


বিদ্রোহীদের হাতে রাজধানী দামেস্কের পতন, বাশারের দেশ ছেড়ে পালিয়ে মস্কোতে আশ্রয় নেওয়া- রোববার ভোর থেকে দুপুরের আগেই রীতিমত ভোজবাজির মতো ঘটে গেছে।


ক্রেমলিনের একটি সূত্রের বরাতে রাশিয়ার সংবাদ সংস্থা এবং টেলিভিশনগুলো জানিয়েছে বাশার আল-আসাদ ও তার পরিবারকে ‘মানবিক কারণে’ আশ্রয় দিয়েছে দীর্ঘদিনের মিত্র দেশটি।


মাত্র কয়েকদিন, দুই সপ্তাহেরও কম সময়ের মধ্যে ক্রেমলিনের সিরিয়া ‘প্রজেক্ট’ মুখ থুবড়ে পড়ায় প্রকাশ হলো, মস্কো তার মিত্রকে রক্ষা করতে সক্ষম নয়।


‘সিরিয়ায় নাটকীয় ঘটনার পর মস্কো গভীর উদ্বেগ নিয়ে সেখানকার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে’ এমন বিবৃতি দিয়ে আপাতত দায় সেরেছে রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।


বাশার আল-আসাদের পতন যে মস্কোর জন্য বড় ধরনের একটি আঘাত হয়ে এসেছে, তা পরিষ্কার।


২০১৫ সালে বাশারের সমর্থনে হাজার হাজার সেনা সিরিয়ায় পাঠায় রাশিয়া, যার অন্যতম উদ্দেশ্য ছিল নিজেদেরকে বৈশ্বিক শক্তি হিসেবে জাহির করা।


সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙ্গে যাওয়ার পর পশ্চিমা ক্ষমতা ও আধিপত্যকে সেবারই প্রথম বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছিলেন ভ্লাদিমির পুতিন।


সে সময় তার এই উদ্দেশ্য অনেকটাই সফল হয়েছিল বলে মনে করা হয়।


২০১৭ সালে রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিন সিরিয়ার হামাইমিম বিমান ঘাঁটি পরিদর্শনে গিয়ে মিশন সফল হওয়ার ঘোষণা দেন।


২০১৭ সালে সিরিয়ার হামাইমিম বিমান ঘাঁটি পরিদর্শনে গিয়ে সেনাদের কুচকাওয়াজ দেখেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। ছবি: রয়টার্স


২০১৭ সালে সিরিয়ার হামাইমিম বিমান ঘাঁটি পরিদর্শনে গিয়ে সেনাদের কুচকাওয়াজ দেখেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। ছবি: রয়টার্স


সিরিয়ার গৃহযুদ্ধে রুশ বিমান হামলায় প্রতিনিয়ত বেসামরিক নাগরিকদের মৃত্যুর খবর এলেও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোকে সেখানে অভিযান প্রত্যক্ষ করতে দেওয়ার ব্যাপারে যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী ছিল রাশিয়ার।


এমনই একটি অভিযান কাছ থেকে দেখার সুযোগ পেয়েছিলেন বিবিসি রাশিয়ার সম্পাদক স্টিভ রোজেনবার্গ।


“আমার মনে আছে, সে সময় একজন কর্মকর্তা বলেছিলেন, সিরিয়ায় রাশিয়ার যাত্রাটা অনেক দীর্ঘ হবে,” বলেন তিনি।


কিন্তু বিষয়টি রাশিয়ার সম্মানের চেয়ে ভিন্ন কিছু ছিল।


সামরিক সহায়তার বিনিময়ে সিরিয়ার কর্তৃপক্ষ হামেইমিম বিমান ঘাঁটি এবং টারটোস নৌঘাঁটি ৪৯ বছরের জন্য লিজ দিয়েছিল রাশিয়াকে।


এর মাধ্যমে রাশিয়া পূর্ব ভূমধ্যসাগরীয় এলাকায় নিজের অবস্থান নিশ্চিত করে।


রাশিয়ার এই দুটি ঘাঁটি আফ্রিকা এবং আফ্রিকার বাইরের সামরিক ঠিকাদারদের গুরুত্বপূর্ণ গন্তব্যে পরিণত হয়।


এখন গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হচ্ছে, বদলে যাওয়া পরিস্থিতিতে সিরিয়ায় রাশিয়ার ঘাঁটিগুলোর কী হবে?


বাশারের মস্কো পৌঁছানোর বিবৃতিতেই মস্কো জানিয়েছে, রাশিয়ার কর্মকর্তারা সিরিয়ার সশস্ত্র বিরোধীদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছেন।


ওদিকে সিরিয়ার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দাবি করা হয়েছে, বিরোধী দলের নেতারা রাশিয়ার ঘাঁটি এবং কূটনৈতিক মিশনগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিতের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।


রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অবশ্য বলেছে, সিরিয়ার ঘাঁটিগুলোতে ‘সর্বোচ্চ সতর্কতা’ জারি করা হলেও ‘বর্তমানে নিরাপত্তাজনিত বড় কোনো হুমকি নেই’।


বাশার আল-আসাদ ছিলেন মধ্যপ্রাচ্যে রাশিয়ার কট্টর মিত্র। ক্রেমলিনও দীর্ঘদিন তার জন্য প্রচুর ব্যয় করেছে।


সিরিয়ার টারটোসে রাশিয়ার বিমানবাহী রণতরী ‘কুজনেতসভ’র এর সামনে নৌসেনাদের অবস্থান। ছবি: রয়টার্স 


সিরিয়ার টারটোসে রাশিয়ার বিমানবাহী রণতরী ‘কুজনেতসভ’র এর সামনে নৌসেনাদের অবস্থান। ছবি: রয়টার্স 


এখন বাশারের পতন যে কোনো ধাক্কা নয়, বরং পেছনে অন্য কিছু ছিল, সেটি প্রমাণের জন্য রুশ কর্তৃপক্ষকে রীতিমত লড়াই করতে হবে। ‘বলির পাঁঠা’ কাকে বানানো যায়, সেই চেষ্টাই তারা করছে।


রোববার রাতেই তার প্রমাণ দেখা গেছে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের একটি সাপ্তাহিক সংবাদভিত্তিক অনুষ্ঠানে, যেখানে সিরিয়ার সেনাবাহিনীকে দোষারোপ করে বলা হয়, তারা বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে লড়াই করার চেষ্টাই করেনি।


অনুষ্ঠানের উপস্থাপক ইয়েভগেনি কিসেলেভ বলেন, “সবাই দেখছিল সিরিয়ার কর্তৃপক্ষের জন্য ঘটনা ক্রমেই নাটকীয় হয়ে উঠছিল। কিন্তু উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, আলেপ্পোতে কার্যত কোনো লড়াই ছাড়াই (সেনা) অবস্থান ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। (সরকারি বাহিনী) যথেষ্ট সুসজ্জিত এবং হামলাকারীদের চেয়ে সংখ্যায় বেশি থাকলেও সুরক্ষিত এলাকাগুলোতে একের পর এক আত্মসমর্পণের ঘটনা ঘটে এবং পরে সেসব অবস্থান উড়িয়ে দেওয়া হয়। এটি একটি রহস্য!”


ওই উপস্থাপক দাবি করেন, “রাশিয়া সিরিয়ায় সব সময়ই (সব পক্ষের মধ্যে) সমঝোতার বিষয়ে আশাবাদী ছিল।”


তারপরও চূড়ান্ত বিষয়টি কী?


“সিরিয়ায় যা ঘটছে তা নিয়ে আমরা অবশ্যই উদাসীন নই। কিন্তু রাশিয়ার নিজস্ব নিরাপত্তাই আমাদের অগ্রাধিকার, যা বিশেষ সামরিক অভিযানের এলাকায় (ইউক্রেনে রাশিয়ার যুদ্ধ) চলছে।”


রাশিয়ার জনগণের জন্য এই বার্তাটির মধ্যেই রয়েছে পরিষ্কার ইঙ্গিত।


নয় বছর ধরে বাশার আল-আসাদকে ক্ষমতায় রাখতে রাশিয়া ব্যাপক বিনিয়োগ করলেও, চিন্তিত হওয়ার হওয়ার মতো যে আরো বিষয় রয়েছে, সেটিই রুশ জনগণকে বলে দেওয়া হয়েছে।



আরও খবর




​রাজশাহীতে ২৭নং ওয়ার্ড যুবদলের দোয়া ও ইফতার বিতরণ

সাংবাদিকতার ন্যূনতম ব্যাকরণ সম্পর্কে নেই ধারণা এরাও পরিচয় দিচ্ছে সাংবাদিক, বিপাকে প্রকৃত সংবাদকর্মীরা

চিরিরবন্দরে ভ্রাম্যমান আদালতে মাদকসেবির ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড

বগুড়া নন্দীগ্রামে ট্রাকের ধাক্কায় বাকপ্রতিবন্ধী অটোভ্যান চালক নিহত

পঞ্চগড়ে চেয়ার বাঁচাতে ইউএনওকে জড়িয়ে বিভ্রান্তি:এক চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ৬ চেয়ারম্যানের প্রতিবাদ

রূপগঞ্জে দোয়া ও ইফতার মাহফিলের আয়োজন

লালমোহনে ‘‘ভলান্টিয়ার ফর বাংলাদেশ‘‘ সেচ্ছাসেবী সংগঠন'র "শান্তির প্রতিধ্বনি”২০২৬ অনুষ্ঠিত

সেনাবাহিনীর অভিযানে বিপুলসংখ্যক মাদকসহ আটক ২

উন্নয়ন- অগ্রযাত্রায় সাতক্ষীরাকে ‘এ’ গ্রেডে উন্নীত করায় আলোচনা সভা

সাতক্ষীরা সদর উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার মাহফিল

শ্রীপুর বাজারে পুলিশের অভিযান, ইয়াবাসহ যুবক গ্রেফতার

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলের প্রধান সড়ক সামান্য বৃষ্টিতেই তলিয়ে গেছে

পত্নীতলা ব্যাটালিয়ন ১৪ বিজিবির পৃথক অভিযানে মাদকদ্রব্যসহ আটক-২

সোনারগাঁয়ে জামপুর ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

চন্দনাইশে কার্ভাড ভ্যান ও ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে আহত-৩

শ্যামনগরে গৃহবধূ তামিমার মৃত্যু ঘিরে রহস্য,আটক স্বামী

সাংবাদিকতার ন্যূনতম ব্যাকরণ সম্পর্কে নেই ধারণা এরাও পরিচয় দিচ্ছে সাংবাদিক, বিপাকে প্রকৃত সংবাদকর্মীরা

রাজশাহীতে পুলিশ-ম্যাজিস্ট্রেসী সভা, দ্রুত ন্যায়বিচারে সামারি ট্রায়ালের ওপর জোর

গুরুদাসপুরে দুই গৃহবধুকে পিটিয়ে জখম

নারায়ণগঞ্জ পাসপোর্ট অফিসে মোবাইল কোর্টে ভুয়া সাংবাদিকের কারাদণ্ড

‎টেক্সটাইল দূষণ মোকাবিলায় নরসিংদীর গবেষকের আন্তর্জাতিক সাফল্য

রামপালে ভিত্তিহীন অভিযোগের প্রতিকার চেয়ে ভুক্তভোগীদের সংবাদ সম্মেলন

আল্লাহর নৈকট্যের পথে এক মাসের বিশেষ সফর

ধুনট আল-কুরআন একাডেমিক স্কুলে নতুন প্রিন্সিপালের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সাফল্য, সন্তুষ্ট অভিভাবকরা

কুমিল্লা হতে সংরক্ষিত মহিলা এমপি হতে চান শামীমা আক্তার রুবী,নিজ এলাকাজুড়ে ইতিবাচক সাড়া

বিশ্বদৃষ্টি সম্পাদক সম্মাননা পদক পেলেন মুরাদনগরের শামীমা আক্তার রুবি

কাউন্সিলর থেকে মেয়র পদের দৌড়ে: ভোলা পৌরসভায় আলোচনায় হুমায়ুন কবির সোপান

ধুনট আল-কুরআন একাডেমিক স্কুলে অভিভাবকদের ফ্রি কুরআন শিক্ষার ক্লাস

গঙ্গাচড়া প্রেসক্লাবের নতুন কার্যকরী কমিটি গঠন,লাল সভাপতি ও রিজু সাধারণ সম্পাদক

পদোন্নতির দাবিতে উত্তাল দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ড


এই সম্পর্কিত আরও খবর

ইরানের নতুন সুপ্রিম লিডার হলেন খামেনির ছেলে মোজতবা

প্রবাসে শেকড়ের টান : নিউজিল্যান্ডে নর্থ-বেঙ্গল সোসাইটির মিলনমেলা

ধানের শীষের প্রার্থী পছন্দ না হওয়ায় নিজের ভোট নিজের প্রতীকে প্রদানের সিদ্ধান্ত- শফিকুল ইসলাম রাহী

​ম্যানচেস্টার-সিলেট রুট বন্ধের প্রতিবাদে লন্ডনে প্রবাসীদের ক্ষোভ

ইতালির রোমে বৃহত্তর নোয়াখালী নারী কল্যাণ সংঘের আত্মপ্রকাশ

‘যতদিন দরকার শেখ হাসিনাকে রাখবে ভারত’

অস্ত্র সমর্পণের দাবি অস্বীকার করলো হামাস

দার্জিলিংয়ে পাহাড়ধস ও তীব্র বর্ষণে নিহত ২০, আটকা বহু পর্যটক

মিয়ানমারের কারাগার থেকে সু চির মুক্তিতে চীনের সহায়তা চান ছেলে

নাইজেরিয়ায় সোনার খনি ধসে ‘শতাধিক মৃত্যুর শঙ্কা’