
মোঃ আব্দুল হান্নান স্টাফ রিপোর্টার
শস্যা ভান্ডার খ্যাত চলন বিলে খিরা চাষের উপযোগী আবহাওয়া থাকায় এবার খিরা চাষিদের মুখে হাসি ফুটেছে। খিরা চাষ করে বাম্পার ফলন ও ভালো দাম পাচ্ছেন কৃষকরা। প্রতি মণ খিরা পাইকারি বিক্রি হচ্ছে ৮০০ থেকে ১ হাজার টাকায়। যা উৎপাদন খরচের চেয়ে তিনগুণ বেশি। অল্প সময়ে স্বল্প খরচে অধিক লাভ হওয়ায় প্রতি বছরই খিরা চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছেন চলন বিলের কৃষকরা।
তাড়াশ ও সিংড়া উপজেলায় এ বছর প্রায় ৫০০ হেক্টর জমিতে খিরা চাষাবাদ করা হচ্ছে বলে কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা যায়। তাড়াশ উপজেলা ও সিংড়া উপজেলার ২৯ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় মাঠের পর মাঠ খিরার চাষাবাদ করা হয়েছে। সবুজ খিরা গাছে ভরে গেছে কৃষকের ক্ষেত।
ইতিমধ্যেই উপজেলার বিভিন্ন হাটবাজারে খিরা উঠতে শুরু করেছে। দামও বেশ ভালো। জেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে চাষিদের নিয়ে আসা খিরা ক্রয় করে ব্যাপারীরা ট্রাকযোগে ঢাকা, চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন এলাকায় নিয়ে বিক্রি করে তারা লাভবান হচ্ছেন।শীত শেষ হয়ে গেলেও শীতকালীন ফসল হিসেবে খিরা চাষাবাদ করে কয়েক হাজার কৃষক এখন স্বাবলম্বী।
চাষি, মোঃ রফিকুল ইসলাম দৈনিক আলোকিত সকালকে বলেন, অন্য ফসলের চেয়ে খিরা চাষে অধিক লাভ হওয়ায় এ চাষাবাদের প্রতি তার ঝোঁক। এক বিঘা জমিতে খিরার চাষ করতে তার ১২ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। বাজারজাত করতে শ্রমিক খরচ আরো ৮ হাজার টাকা। সব মিলিয়ে ২০ হাজার টাকার মতো খরচ হয়েছে। তবে ক্ষুদ্র বর্গাচাষিরা প্রতিবিঘা জমি ৮ থেকে ১০ হাজার টাকায় বর্গা নিয়ে আবাদ করায় তাদের খরচ আরো বেশি হয়েছে। ইতিমধ্যে ২০ দিনে তিনি প্রায় ৬০ হাজার টাকার খিরা বিক্রি করেছেন। ক্ষেত থেকে তোলা যাবে আরো প্রায় ৩০-৩৫ হাজার টাকার খিরা।





























