শিরোনাম
ঘুষ-বাণিজ্য থেকে কালিগঞ্জের নায়েব আশরাফুজ্জামানের সম্পদের পাহাড় অতীতে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে ব্যবসা হয়েছে,এখন জুলাই চেতনা নিয়ে ব্যবসা করতে চাইছে একটি দল: মুরাদনগরে ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদ লালমোহনে সরকারি টেকনিক্যাল কলেজসহ দুই প্রতিষ্ঠানের কেউ পাস করেনি ঘাটাইলে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে ৭০০ ফলজ গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ অষ্টগ্রামে পুলিশের বিশেষ অভিযান: ৮ কেজি গাঁজাসহ নারী-পুরুষ আটক আমতলীতে জেলেদের মানবিক সহায়তার চাল প্রশাসনিক কর্মকর্তার পেটে,জেলেদের মধ্যে ক্ষোভ বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে রাজশাহী মহানগর বিএনপির প্রস্তুতি সভা চাটখিলে সাংবাদিকের ওপর হামলা,জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন সাংবাদিকের ওপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন,২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তারের দাবি চাটখিলে সাংবাদিকের ওপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন,জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি
সোমবার ০২ নভেম্বর ২০২৬
সোমবার ০২ নভেম্বর ২০২৬

ঘরে ঘরে ‘মৃত্যুবোমা’ এলপিজি

আলোকিত সকাল প্রতিবেদক
প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৯ ডিসেম্বর ২০২৫ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৯ ডিসেম্বর ২০২৫ | অনলাইন সংস্করণ

Image

দেশের বিভিন্ন জেলায় একের পর এক বাসাবাড়িতে ঘটছে এলপিজি সিলিন্ডার বিস্ফোরণ। কখনো রান্নাঘরে, কখনো শোবার ঘরের পাশে রাখা সিলিন্ডার থেকে আগুন ছড়িয়ে মুহূর্তে পুড়ে যাচ্ছে ঘর-বাড়ি, ছিন্নভিন্ন হচ্ছে পরিবার। দীর্ঘদিন ধরে পাইপলাইনে গ্যাসের নতুন সংযোগ বন্ধ থাকায় এলপিজির ওপর নির্ভরতা বাড়লেও নিয়ন্ত্রক সংস্থার তদারকির ঘাটতিতে বাড়ছে ঝুঁকিও। ঘরে ঘরে ‘মৃত্যুবোমা’ এলপিজি এখন রান্নাঘরের জ্বালানিতে পরিণত হয়েছে। নজরদারির অভাবে বাড়ছে বিস্ফোরণ ও প্রাণহানি। 


শহরকেন্দ্রিক ব্যবহারের পাশাপাশি এখন গ্রামগঞ্জেও ব্যাপক হারে ব্যবহার হচ্ছে এলপিজি। কিন্তু জনপ্রিয় হয়ে ওঠা এই জ্বালানির বাজারে মান নিয়ন্ত্রণ, সেফটি চেক ও রিফিলিং প্রক্রিয়ায় শৃঙ্খলা না থাকায় ঘরে ঘরে ঢুকে পড়েছে ‘মৃত্যুদূত’।



বেসরকারি এলপিজি কোম্পানির রিফিলিং স্টেশনগুলোতে নিয়মিত সেফটি ইনস্পেকশন করা হয় কি না—তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সংশ্লিষ্টরা। রেগুলেটর, হোসপাইপ, সিলিন্ডারের মেয়াদ কিংবা লিকেজ টেস্ট—বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই উপেক্ষিত। ফলে একটি ছোট ত্রুটি থেকেই ঘটে যাচ্ছে ভয়াবহ দুর্ঘটনা।


এদিকে বাজারে থাকা সব সিলিন্ডার যাচাই-বাছাইয়ের সক্ষমতা তাদের নেই বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। 



নাম প্রকাশ না করে এক কর্মকর্তা  বলেন, আমাদের জনবল ও প্রযুক্তি দুটোই সীমিত। তবু অভিযানে গেলে প্রাথমিক ত্রুটি অনেক পাওয়া যায়, বিশেষ করে মেয়াদোত্তীর্ণ সিলিন্ডার।


সাম্প্রতিক বিভিন্ন ঘটনায় একই চিত্র—সিলিন্ডার থেকে গ্যাস লিক হয়ে ঘরে জমা হচ্ছে আর চুলা বা সুইচ অন করার সঙ্গে সঙ্গে ঘটছে ভয়াবহ বিস্ফোরণ। অনেক সময় বাচ্চারা আগুনে দগ্ধ হচ্ছে, বয়স্কদের মৃত্যু হচ্ছে সিলিন্ডার বিস্ফোরণে।


দমকল বাহিনী বলছে, এলপিজিসংক্রান্ত দুর্ঘটনার হার গত কয়েক বছরে উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।


    আরও পড়ুন: দেশীয় গ্যাসে জোর, ১৫০ কূপ খননের পরিকল্পনা পেট্রোবাংলার


ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা বলেন, নিয়ম মেনে ইনস্টলেশন না করা, নকল রেগুলেটর, মেয়াদোত্তীর্ণ সিলিন্ডার আর ব্যবহারকারীর অজ্ঞতার কারণেই ৭০ শতাংশ দুর্ঘটনা ঘটে।



দেশে নিবন্ধিত কয়েকটি বড় ব্র্যান্ডসহ অসংখ্য ছোট কোম্পানি অনুমোদন ছাড়া বাজারে সিলিন্ডার সরবরাহ করছে। অনেক সময় পুরনো ও স্ক্র্যাপ সিলিন্ডার রঙ করে বিক্রি করা হয়।


গবেষকরা বলছেন, তদারকি না থাকলে এই সেক্টর বিপজ্জনক পর্যায়ে যাবে।


সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বর্তমানে রান্নাঘর থেকে শুরু করে দোকান, হোটেল কিংবা বাসাবাড়িতে গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবহার খুবই সাধারণ বিষয়। তবে কখনো কখনো এই সিলিন্ডারই হয়ে উঠে ভয়াবহ বিস্ফোরণের উৎস, যার ফলে অগ্নিকাণ্ড, দগ্ধ হয়ে মৃত্যু, ঘরবাড়ি ধ্বংস এমনকি প্রতিবেশীরাও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন। অথচ একটু সতর্ক থাকলেই এসব দুর্ঘটনা সহজেই এড়ানো সম্ভব।


ব্যবসায়ীরা জানান, সারাদেশে যে এলপিজি বিক্রি হয় সেই সিলিন্ডারগুলো নির্দিষ্ট সময় পরপর পরীক্ষার প্রয়োজন হয়। সিলিন্ডারের মুখের ভালব তো একেবারে গ্রাহকের ঘরেই থাকে। সেই দায়িত্ব গ্রাহককে নিতে হবে। সাধারণত দুই বছর পর পর ভালব বদল করা উচিত হলেও গ্রাহক বছরের পর বছর একই ভালব ব্যবহার করেন। এতে ভালবে ছিদ্র তৈরি হয় আর সেখান থেকে গ্যাস বের হয়ে ঘরের মধ্যে জমে থাকে। বদ্ধঘরে এভাবে গ্যাস জমে গেলে আগুনের সংস্পর্শে এলেই ঘটে দুর্ঘটনা।




জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ব্যাপকভাবে সচেতনতামূলক প্রচার চালিয়েই এসব দুর্ঘটনা প্রতিরোধ করা সম্ভব। তাদের মতে, দেশে যে সব দুর্ঘটনা ঘটে তার বেশির ভাগই প্রতিরোধ করা সম্ভব। এজন্য গ্রাহকদের সচেতন হওয়া জরুরি।


তার বলছেন, এলপিজি নিরাপদ জ্বালানি—কিন্তু বাজার নিয়ন্ত্রণ ও পরীক্ষণ ব্যবস্থার অনিয়ম এটিকে ভয়ংকর করে তুলছে। সরকারকে দ্রুত সিলিন্ডার ট্র্যাকিং সিস্টেম চালু করতে হবে।


এদিকে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) বলছে, লোকবল সংকটে থাকায় এলপিজির সিলিন্ডারের মান নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থায় কোনো সেল কাজ করছে না। তবে এবিষয়ে নতুন নীতিমালা প্রণয়নের কাজ চলছে।


বিইআরসি’র এক কর্মকর্তা জানান, সিলিন্ডারের মেয়াদ, রিফিলিং স্টেশন সেফটি এবং রেগুলেটরি স্ট্যান্ডার্ড নিয়ে কঠোর নির্দেশনা আসছে। তবে বাস্তবায়নে সব সংস্থার সমন্বয় দরকার।



যাত্রাবাড়ীর বাসিন্দা সাবেক সেনা কর্মকর্তা বলেন, এলপিজি দুর্ঘটনা এখন অহরহ ঘটছে। বাড়িওয়ালা হিসেবে সবসময় ভয় কাজ করে। কারণ আমার বাড়িতে অনেকগুলো মানুষ বসবাস করেন। সিলিন্ডারে সমস্যা থাকলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়ে। 


তিনি জানান, গ্যাসের সিলিন্ডার বিস্ফোরণে হতাহতের ঘটনা নিয়মিত হয়ে দাঁড়িয়েছে। দুর্বল তদারকি ও অব্যবস্থাপনায় ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে এলপিজি ব্যবহার। সরকারি-বেসরকারি কারও কার্যকর পদক্ষেপ নেই। কেন দুর্ঘটনা ঘটছে, সে বিষয়েও সঠিক তথ্য নেই। উল্টো বিস্ফোরণের পর গ্রাহক, সরবরাহকারী ও নিয়ন্ত্রণ সংস্থা পরস্পরের ঘাড়ে দায় চাপাচ্ছে।


সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজয় একাত্তর হলের ২৪ নভেম্বর এক্সটেনশনে একটি খাবারের দোকানে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে আগুন লেগেছে। তবে এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি।


প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দোকানে স্বাভাবিকভাবে রান্নার কাজ চলছিল। এ সময় গ্যাস সিলিন্ডার পরিবর্তনের মুহূর্তে আগুনের সংস্পর্শে সিলিন্ডারটি বিস্ফোরিত হয়।


এর আগে ১৯ নভেম্বর গাজীপুরের কালিয়াকৈরে সিলিন্ডারের গ্যাসের আগুনে চারজন দগ্ধ হয়েছেন। গ্যাস সিলিন্ডারের নিচে ছিদ্র করার সময় হঠাৎ দ্রুতগতিতে গ্যাস বেরিয়ে পাশের চায়ের দোকানের আগুনে ছড়িয়ে পড়ে। 


শুধু ঢাকা আর গাজীপুর নয়, দেশের বিভিন্ন জায়গায় এমন বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। দগ্ধ হয়ে মৃতুহারও কম নয়। গত সেপ্টেম্বরে চট্টগ্রামে সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দুই শ্রমিকের মৃত্যু হয়। আগস্টে গাজীপুরে এক শিশুর মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।




সঠিক ব্যবহার করলেই এলপিজি তুলনামূলক নিরাপদ। এজন্য—মেয়াদোত্তীর্ণ সিলিন্ডার ব্যবহার না করা এবং নিয়মিত লিকেজ টেস্ট করার তাগিদ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। তাদের পরামর্শ- সিলিন্ডার কখনো শোবার ঘর/বন্ধ জায়গায় না রাখা। ভালোমানের রেগুলেটর ও হোসপাইপ ব্যবহার করা৷ এছাড়া গন্ধ পেলে সঙ্গে সঙ্গে চুলা, সুইচ, ইলেকট্রিক বোতাম অফ রাখা। 


এদিকে এলপিজির নিয়ন্ত্রক রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা বিইআরসিতেও সিলিন্ডারের মান যাচাই-বাছাইয়ের কোনো সেল নেই বলে জানিয়েছেন সংস্থাটির চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ। 


তিনি বলেন, দেশের বিভিন্ন জায়গায় এলপিজি সিলিন্ডার বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটছে, এটা সত্য। আমরা ছোট্ট একটি টিম নিয়ে প্রতিষ্ঠানটি পরিচালনা করছি। এখানে লোকবল খুবই কম। ফলে আমরা সে রকম তদারকি করতে পারছি না। তবে আমরা কোম্পানিগুলোকে এবিষয়ে চিঠি দেব যেন তারা সিলিন্ডারের মান নিশ্চিত করে। আমাদের একটি টিম ইতোপূর্বে এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (লোয়াব) সঙ্গে কথা বলেছে। এছাড়া দুর্ঘটনা রোধে আমরা জনসচেতনতামূলক কাজ করছি। 



সিলিন্ডারের মান নিয়ন্ত্রণে কোনো সংস্থা না থাকায় দুর্ঘটনা বাড়ছে বলে অভিযোগ করেন জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ও বুয়েটের অধ্যাপক ড. ইজাজ হোসেন। 


তিনি  বলেন, সরকারের উচিত সবার আগে মান নিয়ন্ত্রণে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া। প্রয়োজনে কোনো সংস্থার মাধ্যমে একটা স্ট্যান্ডার্ড নির্ধারণ করা। সেই স্ট্যান্ডার্ড মানছে কি না তা কঠোরভাবে মনিটরিং করতে হবে। কোম্পানিগুলোকে জোর করতে হবে এই মান নিয়ন্ত্রণ করতেই হবে। নিয়ন্ত্রণ না করলে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করাও জরুরি। 


কনজুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) জ্বালানি উপদেষ্টা অধ্যাপক এম শামসুল আলম বলেন, দেশের গ্যাস সরবরাহ ও সংযোগ কতটা ভঙ্গুর ও ঝুঁকিপূর্ণ তা বলার অপেক্ষা রাখে না। ফলে ঘটছে দুর্ঘটনা-প্রাণহানি। গ্রাহকের কাছে ঝুঁকিপূর্ণ সিলিন্ডার দিয়ে যেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আর কোনো দায় নেই। এটা দুঃখজনক। 


আরও খবর




ঘুষ-বাণিজ্য থেকে কালিগঞ্জের নায়েব আশরাফুজ্জামানের সম্পদের পাহাড়

টাঙ্গাইলে ব্র্যাকের আর্থিক সহায়তায় ঘুরে দাঁড়াচ্ছেন বিদেশফেরত নারীরা

অতীতে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে ব্যবসা হয়েছে,এখন জুলাই চেতনা নিয়ে ব্যবসা করতে চাইছে একটি দল: মুরাদনগরে ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদ

কিশোরগঞ্জে মৃত্তিকা প্রতিবন্ধী শিশু পাঠশালা ও পুনর্বাসন কেন্দ্রের সভাপতি নির্বাচিত সাংবাদিক নাসরুল আনোয়ার

নন্দীগ্রামে ফুটবল নিয়ে মাঠে নামল যুবদল, মাদকবিরোধী টুর্নামেন্ট

লালমোহনে সরকারি টেকনিক্যাল কলেজসহ দুই প্রতিষ্ঠানের কেউ পাস করেনি

গ্রাম আদালতের বিচারিক কার্যক্রমে ফুলছড়িতে সেরা গজারিয়া ইউনিয়ন

চমক দেখালো শেরপুরের পিবিআই!

তারাগঞ্জে অবৈধ বালু উত্তোলনে ১ লাখ টাকা জরিমানা

সূর্যমুখী থিয়েটারের দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন সম্পন্ন: আরিফুল ইসলাম পিয়াস সভাপতি, শফিকুল ইসলাম সম্পাদক

আনোয়ারায় ওষখাইন সদ্ধম্মানন্দ বিহারে কঠিন চীবর দানোৎসব

ঘাটাইলে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে ৭০০ ফলজ গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ

অষ্টগ্রামে পুলিশের বিশেষ অভিযান: ৮ কেজি গাঁজাসহ নারী-পুরুষ আটক

আমতলীতে জেলেদের মানবিক সহায়তার চাল প্রশাসনিক কর্মকর্তার পেটে,জেলেদের মধ্যে ক্ষোভ

বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে রাজশাহী মহানগর বিএনপির প্রস্তুতি সভা

জনপ্রিয়তার শীর্ষে ১০ নং গড়জরিপা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এম এ জলিল

সশস্ত্রবাহিনী বোর্ডের সচিবের সাথে সাক্ষাৎ: সৈনিকদের রেশন ও ‘ওয়ান র‍্যাংক ওয়ান পে’সহ ৫ দফা দাবি নিয়ে আলোচনা

গাজীপুরে ইন্টারনেট ব্যবসায়ীর ওপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে ব্যবসায়ীদের মানববন্ধন

গাজীপুরের কাশিমপুরে পিকআপসহ আটক ৩ জন কোথায় গেলেন?

স্বপ্নের কায়েতপাড়া ইউনিয়ন গড়ার প্রত্যয় গোলজার হোসেনের

রূপগঞ্জে যুবদল নেতার বিরুদ্ধে অপহরণ,মারধর ও জোরপূর্বক স্ট্যাম্পে সই নেয়ার অভিযোগ

গাজীপুর জেলায় অনুষ্ঠানে অসকস নেতৃবৃন্দের মিলনমেলা

উলিপুরে জমি দখল করে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে

রূপগঞ্জে ভূয়া দলিল ও জালিয়াতি করে জমি দখলের প্রতিবাদে মানবববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান

শ্যামনগর-কালিগঞ্জে ডিলারদের জিম্মি করে মাসে দেড় লাখ টাকা আদায়ের অভিযোগ

নাঙ্গলকোটে জমি সংক্রান্ত বিরোধে হামলা-ভাঙচুর,আহত ২

তিন দশকের পথচলার অবসান: খবরের কাগজ হাতে আর দেখা যাবে না নিতাইকে

আমতলীতে ১৪৫ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

বাউফলে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও চাঁদা দাবির ভিডিও ছড়ানোর অভিযোগ, সাইবার ট্রাইবুনালে মামলা

রাজশাহীতে পেশাদার সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও অপপ্রচারের প্রতিবাদে মানববন্ধন


এই সম্পর্কিত আরও খবর

পুষ্টি নিরাপত্তায় খাদ্য ফোর্টিফিকেশন জোরদারের আহ্বান খাদ্যমন্ত্রীর

সাতক্ষীরায় ধর্ম অবমাননার অভিযোগে যুবককে পিটিয়ে হত্যা, প্রধান আসামী আমিনী গ্রেপ্তার

শিশুদের মালিকানাবোধেই লুকিয়ে আছে জলবায়ু সংকটের সমাধান

সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে সরকার: খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম

কপ৩১-এর প্রস্তুতি: জলবায়ু ন্যায্যতার দাবিতে সংসদে তরুণদের সম্মেলন

অস্ত্রের স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার, বৈধ আগ্নেয়াস্ত্র ফেরত পাচ্ছেন ব্যবসায়ী আলহাজ সোহাগ

তেলের দাম বাড়িয়ে জনগণকে কষ্টে ফেলা যাবে না: পীর সাহেব চরমোনাই

খুলনা বিভাগে ২৪ ঘণ্টায় হাম-ডেঙ্গুতে ৪ জনের মৃত্যু

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পদ ছাড়লেন সায়মা ওয়াজেদ

গুজব ও উস্কানি রুখে প্রমাণনির্ভর রাজনীতি চর্চার আহ্বানে ঢাকায় প্রচারণা