
মোঃ শাকিল প্রধানঃ
মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার বালুয়াকান্দি ইউনিয়নে বালুয়াকান্দি গ্রামের শহিদুল্লাহ, আব্দুল বাছেদ ও আব্দুর রশিদ ৩ পরিবার দীর্ঘ ২৩ বছর ধরে অবরুদ্ধ। মহাসড়ক সংলগ্ন প্রায় ৫০০ মিটার সরকারি হালট উন্মুক্ত হলে নিরাপদ চলাচলে সুবিধা পাবে ইউনিয়নের ৩০ হাজার জনগণ।
বৃহস্পতিবার (৬ জুন) সকাল ১০ ঘটিকার সময় ইউপি চেয়ারম্যান শহিদুজ্জামান জুয়েল এর উপস্থিতিতে সামাজিক সভায় বালুয়াকান্দি ইউনিয়নের মেঘনা ভিলেজ পার্ক হইতে ইয়াসিন মিয়ার বাড়ি থেকে শাহ আলম মিয়ার বাড়ি পর্যন্ত প্রায় ৫০০ মিটার সরকারি হালোটের অবরুদ্ধ মুখ উম্মুক্ত করার উদ্যোগ নেয়া হয়।
ইউপি চেয়ারম্যান শহিদুজ্জামান জুয়েল, ইউপি সদস্য মোবারক হোসেন ও পারভিন আক্তার জানান সেভেন রিং কোম্পানি কর্তৃক ২৩ বছর পূর্বে সরকারি হালটের মুখ অবরুদ্ধ করে। হালটের মুখ বন্ধ করে দেয়ায় চলাচলে অবরুদ্ধ হয় বালুয়াকান্দি গ্রামের মৃত কালাই মুন্সির তিন ছেলে শহীদুল্লাহ আব্দুল বাছেদও আব্দুর রশিদ।
অবরুদ্ধ তিন পরিবারের পক্ষ থেকে আব্দুল বাছেদ জানান, সেভেন রিং কোম্পানির ওয়াল নির্মাণে বিগত ১৯৯৯ সালের ২৮ শে নভেম্বর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। স্থানীয় প্রভাবশালীদের সহযোগিতায় কোম্পানি সরকারি হালটের মুখ বন্ধ করে দেয়। তখন থেকেই অবরুদ্ধ হই আমরা তিনটি পরিবার।
ইউপি চেয়ারম্যান শহিদুজ্জামান জুয়েল জানান পার্ক থেকে শুরু হয়ে ইয়াসিন মিয়ার বাড়ি হয়ে শাহ আলম মিয়ার বাড়ি পর্যন্ত ১০ ফুট প্রশস্ত সরকারি হালট এর মুখ কোম্পানি কর্তৃক বন্ধ ছিল। অবরুদ্ধ ছিল তিনটি পরিবার। নিরাপদ চলাচল থেকে বঞ্চিত ছিল ইউনিয়নের ৩০ হাজার নর নারী। মহাসড়ক সংলগ্ন বালুয়াকান্দি বটতলা স্ট্যান্ড ছিল ঝুঁকিপূর্ণ ও যানজটযুক্ত। ৫০০ মিটার সরকারি হালটের মুখ উন্মুক্ত হলে নিরাপদ চলাচল সুবিধা পাবে ৩০ হাজার নর-নারী। অভিযুক্ত সেভেন রিং কোম্পানি প্রতিনিধি দেবাশীষ রায় সরকারি হালটের মুখ বন্ধ করে দেয়া বিষয়ে কোনো মতামত প্রকাশে রাজি হন নাই।





























