
লুটন টাউনকে ৫-১ গোলে উড়িয়ে দিল ম্যানচেস্টার সিটি। এই গোল উৎসবে লিগ টেবিলে শীর্ষে উঠল পেপ গার্দিওলার শিষ্যরা।
ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে শনিবার ঘরের মাঠ ইতিহাদ স্টেডিয়ামে সিটির একটি করে গোল করেন আর্লিং হলান্ড, জেরেমি দোকু, মাতেও কোভাচিচ ও ইয়োশকো ভার্দিওল, অন্য গোলটি আত্মঘাতী। লুটনের হয়ে ব্যবধান কমান রস বার্কলে।
এদিন শুরতেই সৌভাগ্যের গোলে এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা। কেভিন ডে ব্রুইনের চমৎকার পাস ধরে গোলরক্ষককে একা পেয়েছিলেন হলান্ড। সরাসরি গোলরক্ষক বরাবর শট নিয়ে হতাশ করেন তিনি। আলগা বল পেয়ে শট নেন দোকু। সেটা একজনের গায়ে লাগলে ফের পেয়ে যান হলান্ড। তার ভলি লক্ষ্যের ধারেকাছেও ছিল না; কিন্তু দাইকি হাশিওকার মুখে লেগে দূরের পোস্ট দিয়ে বল জড়ায় জালে!
বিরতির পর কোভাচিচের চমৎকার গোলে ৬৪তম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করে ইংলিশ চ্যাম্পিয়নরা। শর্ট কর্নারের পর ডি-বক্সে ক্রস করেন হুলিয়ান আলভারেস। বল বাতাসে থাকা অবস্থাতেই সাইড ভলিতে জাল খুঁজে নেন কোভাচিচ। কিছুই করার ছিল না গোলরক্ষকের।
খেলার ৭৬তম মিনিটে সফল স্পট কিকে স্কোরলাইন ৩-০ করে ফেলেন হলান্ড। বাঁ দিকে ঝাঁপ দেন গোলরক্ষক, কিন্তু নরওয়ের ফরোয়ার্ড শট নেন ডান দিকে। আসরে এটি তার ২০তম গোল। ডি-বক্সে দোকুকে ফাউল করায় পেনাল্টি পেয়েছিল সিটি।
চার মিনিট পর গোল হজম করে বসে সিটি। এদেরসন নিজেদের ডি-বক্সের ঠিক বাইরে বল বাড়ান নুনেসকে। তাকে বেশ চাপে ফেলে বল কেড়ে নেন বার্কলে। দারুণ গতিতে ডি-বক্সে ঢুকে বুলেট গতির শটে খুঁজে নেন জাল।
লুটনের জেগে ওঠার আশা দ্রুতই গুঁড়িয়ে দেন দোকু। বাঁদিক থেকে কাট করে ভেতরে ঢোকার পথে এড়িয়ে যান ফ্রেদ ওনিদিনমার চ্যালেঞ্জ। পরে হাশিওকার দুই পায়ের মাঝ দিয়ে বল বের করে নিয়ে বাঁকানো শটে দূরের পোস্ট দিয়ে জালে পাঠান দোকু।
যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে ব্যবধান আরও বাড়ান ভার্দিওল। দোকুর কাছ থেকে ডি-বক্সের মাথায় বল পেয়ে কাছের পোস্ট দিয়ে বুলেট গতির শটে জাল খুঁজে নেন তিনি। টানা দুই ম্যাচে গোল পেলেন ক্রোয়াট ডিফেন্ডার। রেয়ালের বিপক্ষে আগের ম্যাচেও জালের দেখা পেয়েছিলেন তিনি।
৩২ ম্যাচে সিটির পয়েন্ট ৭৩। সমান ৭১ পয়েন্ট নিয়ে দুই নম্বরে আছে আর্সেনাল, আর গোল পার্থক্যে পিছিয়ে তিনে লিভারপুল। দুটি দলই অবশ্য একটি করে ম্যাচ কম খেলেছে।







































