
শাহাদাত আল মাহদী,রিয়াদ প্রতিনিধি। ইসলামের পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভের একটি হচ্ছে পবিত্র হজ।
সারাবিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে এসে মক্কায় সমবেত হওয়া লাখ লাখ ধর্মপ্রাণ মুসলমানের অংশগ্রহণে পবিত্র হজ পালনের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়েছে।
আজ শুক্রবার ৮ জিলহজ ভোর থেকে হাজিরা ইহরাম বেঁধে মিনার উদ্দেশে যাত্রা করেন,হাজীদের পদচারণায় মুখরিত মিনা প্রান্তর। এর মধ্য দিয়েই হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। এ বছর বিশ্বের ২০ লাখেরও বেশি মুসলমান হজ পালন করছেন। বাংলাদেশ থেকে হজে গেছেন ৮২ হাজার ৭৭২ জন।
হজের আনুষ্ঠানিকতার প্রাথমিক পর্যায়ে হাজিদের স্বাগত জানাতে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে সৌদি কর্তৃপক্ষ। ৩০ হাজার হজযাত্রীর থাকার জন্য মিনায় বহুতল আবাসিক টাওয়ার তৈরি করা হয়েছে।
এদিকে,সৌদিতে আজ গড় তাপমাত্রা ৪৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সৌদি বার্তা সংস্থা এসপিএ জানিয়েছিল, তাপজনিত সম্ভাব্য অসুস্থতা ও হিটস্ট্রোক মোকাবিলায় চারটি হাসপাতাল প্রস্তুত রেখেছে কর্তৃপক্ষ।
গ্র্যান্ড মসজিদ থেকে ৭ কিলোমিটার (৪.৩৫ মাইল) উত্তর-পূর্বে অবস্থিত মিনা। মক্কা ও মুজদালিফার মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান এটি। এই উপত্যকাটি উত্তর ও দক্ষিণে পাহাড় দিয়ে ঘেরা এবং মসজিদুল হারামের সীমানার মধ্যে অবস্থিত। শুধু হজের সময়েই সেখানে মানুষের ভিড় জমে।
আরবি বর্ষপঞ্জিকার শেষ মাস জিলহজের ৮ তারিখ থেকে শুরু হয় হজ। এরপর ৯ জিলহজ আরাফাতের দিন শেষে ১০ জিলহজ পশু কুরবানি করেন হাজিরা।
জিলহজ মাসের ৯ তারিখ ভোরে হজযাত্রীরা তাদের সফরের গুরুত্বপূর্ণ ধাপ, অর্থাৎ আরাফাতের ময়দানে অবস্থিত মসজিদুল নামিরাহ থেকে হজের খুতবা শুরু করবেন। এরপর সূর্যাস্তের সাথে সাথে হজযাত্রীরা আরাফাতের উদ্দেশ্যে রওনা হবেন,যেখানে মাগরিব এবং এশার নামাজে অংশ নেবেন।
এবছর ৯ জিলহজ ১৫ জুন শনিবার আরবিতে আরাফা ময়দান থেকে খুতবা পেশ করবেন মসজিদে হারামের সম্মানিত ইমাম ও খতিব ডক্টর মাহের বিন হামাদ আল-মুআইকিলি
৯ জিলহজ ১৫ জুন আরাফার খুতবা বাংলায় অনুবাদসহ পেশ করবেন বাংলাদেশের চাঁদপুর জেলার সন্তান মক্কা উম্মুল কোরা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী ড. মো. খলিলুর রহমান মাক্কী।
১০ জিলহজ ১৬ জুন রবিবার বাইতুল্লার অঙ্গনে অনুষ্ঠিত ঈদুল আযহার খুতবা পেশ করবেন মসজিদে হারামের সম্মানিত ইমাম প্রফেসর ডক্টর শাইখ আব্দুর রহমান আস সুদাইস।







































