
একটি ব্রিজের অভাবে এ যুগেও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বাঁশ ও কাঠের সাঁকো দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে প্রতিনিয়ত পার হতে হচ্ছে পাবনা জেলা শহরের পাশেই আটঘরিয়া ও পাবনা সদর উপজেলার সংযোগকারী ইছামতি নদীর দুই পাড়ের ২৫ গ্রামের প্রায় ২০ হাজার মানুষকে।
আটঘরিয়া উপজেলার লক্ষ্ণীপুর ইউনিয়নের এবং পাবনা সদর উপজেলার আতাইকুলা ইউনিয়নের মাঝ দিয়ে প্রবাহিত ইছামতি নদীতে কোনো ব্রিজ না থাকায় বাঁশ-কাঠের সাঁকো তৈরি করে পাড় হচ্ছেন মানুষ। এ সাঁকোই দুই পাড়ের প্রায় ২৫ গ্রামের ২০ হাজার মানুষের পাবনা জেলা শহর ও ঢাকার সঙ্গে যোগাযোগের একমাত্র ভরসা। এ পথে লক্ষ্ণীপুর ইউনিয়নের লক্ষ্ণীপুর পশ্চিম পাড়া, গারুলিয়া, কৈজুরি, ফলিয়া, কেশবপুর, শ্রীপুর, লক্ষ্ণীপুর পূর্বপাড়া, রাজাপুর, বাঐকোলা, রঘুরামপুর, যাত্রাপুর রাণীগ্রাম, পদ্মলোচনপুর, একদন্ত ইউনিয়নের দেবোত্তর, একদন্ত, ভাঙ্গুড়া, চান্দাইসহ নদীর দুই পাড়ে প্রায় ২৫ গ্রামের ২০ হাজার মানুষ চলাচল করে থাকেন।
এলাকাবাসীরা জানায়, দীর্ঘদিনের জনদাবির প্রেক্ষিতে ইতিপূর্বে ১০০ মিটার একটি ব্রিজের কাজ শুরু হয়। তবে ব্রিজটি ভেঙে পড়ায় বর্তমানে বাঁশও কাঠ দিয়ে সাঁকো তৈরি করে লোকাজনকে চলাচল করতে হচ্ছে। ফলে শিশু, মহিলা, বৃদ্ধদের অনেক সময় দুর্ঘটনার শিকার হতে হয়। এছাড়াও নানা পণ্য ও যানবাহন পারাপারেও চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। মুমূর্ষু রোগী পারাপারে পোহাতে হয় চরম ভোগান্তি। তাই জরুরিভিত্তিতে এখানে একটি ব্রিজ নির্মাণের দাবি জানিয়েচেন এলাকাবাসী।





























