
নানা আয়োজনে জাগ্রত আছিম গ্রন্থাগারের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হলো। শনিবার সকালে জাগ্রত আছিম গ্রন্থাগার মিলনায়তনে গ্রন্থাগারের ৭ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উৎযাপন উপলক্ষে পাঠক মিলনমেলা, উন্মুক্ত কুইজ প্রতিযোগিতা এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গ্রন্থপাঠ কার্যক্রমে অংশগ্রহণকারী সেরা পাঠকদের পুরষ্কার প্রদান করা হয়।
এই অনুষ্ঠানে গ্রন্থাগারের নিয়মিত পাঠকদের উদ্দেশ্যে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেছেন গ্রন্থাগারের উপদেষ্টা এবং শাহাবুদ্দীন ডিগ্রী কলেজের সহকারী অধ্যাপক মোঃ আসাদুজ্জামান আকন্দ।
সেরা পাঠকদের মাঝে পুরষ্কার প্রদান করেন গ্রন্থাগারের উপদেষ্টা পরিষদের অন্যতম সদস্য, শাহাবুদ্দীন ডিগ্রী কলেজের সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ সাদেকুর রহমান এবং জঙ্গলবাড়ি বাতিঘরের প্রতিষ্ঠাতা মেহেদী কাউসার ফরাজী।
জাগ্রত আছিম গ্রন্থাগার পরিচালনা কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাউসার আহমেদের সঞ্চালনায় গ্রন্থাগারের প্রতিষ্ঠাতা জিএম মারুফ আল সোয়াদ, প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক সভাপতি শোয়াইব হাসান শিবলী, প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক জিল্লুর রহমান রিয়াদ সহ গ্রন্থাগারের সাধারণ সদস্য এবং নিয়মিত পাঠকরা এসময় উপস্থিত ছিলেন।
জাগ্রত আছিম গ্রন্থাগারের প্রতিষ্ঠাতা জিল্লুর রহমান রিয়াদ বলেন, "৭ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপনের সময় আমাদের এখন ৪ টি বুকশেলফে আড়াই হাজারের বেশি বই রয়েছে। স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীসহ সকল শ্রেণি পেশার ৩ শতাধিক নিবন্ধিত পাঠক নিয়মিত গ্রন্থাগারের বই পড়েন। মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গবন্ধু কর্ণার স্থাপন সহ জাতীয় দিবসগুলোতে আমরা সচেতনতামূলক বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করছি। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপনকে সামনে রেখে জানুয়ারী মাসব্যাপী আমরা মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গ্রন্থপাঠ কার্যক্রম শুরু করেছিলাম। সেই পাঠ কার্যক্রমের সেরা পাঠকদেরই আজ পুরষ্কৃত করা হয়েছে।"
জাগ্রত আছিম গ্রন্থাগার পরিচালনা কমিটির সভাপতি তৌকির আহমেদ তুষার এবং সাধারণ সম্পাদক এবিএম জাকির হাসান কাউসার জানান, "২০১৬ সালে কার্যক্রম শুরু করা হলেও ২০১৭ এর ২১ ফেব্রুয়ারী জাগ্রত আছিম গ্রন্থাগারের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। সেই হিসেবে আমরা এখন ৭ বছর পূর্ণ করে ৮ম বর্ষে পথচলা শুরু করেছি। আমাদের ভবিষ্যৎ পথচলায় সকলের দোয়া ও সহযোগিতা প্রত্যাশা করছি।"





























