
( মোঃ অহিদ রিপোর্টার)
বেশ কয়েকদিন যাবৎ সোশ্যাল মিডিয়ায় মোবারক নামের একজন ব্যক্তি আমার বিরুদ্ধে বেশ কুৎসাজনক, অপবাদমূলক,মিথ্যা সংবাদ প্রচার করে আসছে। প্রকৃত সত্য হলো- মোবারক একজন বিকারগ্রস্ত ও পাগল।আমরা একই বাড়ির, সম্পর্কে সে আমার চাচাতো ভাই। বয়সে আমি তার বড় ভাই। পারিবারিক,সামাজিক ও আর্থিক সকল বিষয়ে সে আমার সহযোগিতা নেয় এবং আমিও তাকে সাহায্য করি। একজন অভিভাবক হিসাবে ছোটবেলা থেকেই আমি তার পাশে ছিলাম এবং এখনো আছি।
তার প্রথম স্ত্রী ১০/১২ বছর আগে চারটি সন্তানসহ তার অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে, জীবন রক্ষার্থে তাকে ডিভোর্স দিয়ে চলে যায়। তারপর পরিবারের সবাই মিলে তাকে আবার বিয়ে করাই। দ্বিতীয় স্ত্রীও তার অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে তাকে ডিভোর্স দিয়ে চলে যায়। মোবারকের এক বোন চার ভাই। সকল ভাইদেরকে বহুবার শারীরিকভাবে আঘাত করেছে।
মোবারকের আপন ছোট ভাই মনির কৃষিকাজ করে তাকেও হত্যার উদ্দেশ্যে মোবারক বেশ কয়েকবার আঘাত করেছিল। মোবারকের প্রতিবেশী জাকির হোসেনের সাথে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে মোবারক তাকে গলা টিপে হত্যা করতে চেয়েছিল। মোবারকের পিতা মোঃ রুস্তম আলী (বয়স ৭৫) চাচা তার ভয়ে সর্বদা আতংক থাকেন। মোবারক তার জন্মদাতা পিতাকে হত্যার উদ্দেশ্যে দা দিয়ে বহুবার আঘাত করতে চেয়েছিল।
এলাকার সাবেক ইউপি সদস্য জনাব হারুন সাহেবকে এই মোবারক মসজিদে নামাজরত অবস্থায় আঘাত করেছিল। সালাউদ্দিন সরকার যিনি একজন প্রবাসী তার বিরুদ্ধেও মোবারক নানা রকম কুৎসা মিথ্যা অপবাদ দেওয়ার কারণে সামাজিকভাবে মোবারককে বয়কট করা হয়েছিল। এছাড়া প্রতিবেশী ওয়াসিম, হেলাল নাছির, ইয়াকুব মাওলানা সহ অসংখ্য মানুষের সাথে তুচ্ছ/সামান্য বিযয়কে কেন্দ্রকরে মোবারক শারীরিকভাবে আঘাত করেছিল।
পারিবারিকভাবে মোবারক আমাকে অভিভাবক মানার কারণে আমি তার বিভিন্ন সমস্যায় ও সহযোগিতায় এগিয়ে এসেছি। ২০০৪ সালে মোবারক আমার নিকট পঞ্চাশ হাজার টাকা আমানত রাখে আমি তখন ইট, ভুট্টা, গার্মেন্টস সহ বিভিন্ন রকমের ব্যবসার সাথে জড়িত ছিলাম। মোবারকের ওই পঞ্চাশ হাজার টাকা এক বছর পরে আমি ১ লাখ টাকা উন্নীত করে তাকে ফেরত দেই মোবারক উক্ত টাকা ফেরত না নিয়ে আরো দুই লাখ টাকা সহ মোট তিন লাখ টাকা আমার কাছে জমা রাখে এবং বলে তার জন্য একটা জায়গা কিনে দিতে।ঐ বছরই আমি আমার স্ত্রীর বড় ভাই মোহাম্মদ নেসার উদ্দিনের থেকে তিন লাখ টাকা এবং মোবারকের ৩ লাখ টাকা সহ মোট 6 লাখ টাকা দিয়ে মতলবের আজিমউদ্দিন এর জায়গা মাইজপাড়া দাউদকান্দি বিশ্বরো সাথে দশ শতক সম্পত্তি হাত বায়না করি। আজিমউদ্দিন দীর্ঘ অনেকদিন সম্পত্তি রেজিস্ট্রি করে দেওয়ার কথা বলে পরবর্তীতে গোপনে তার স্ত্রীকে হেবা মূলে ওই সম্পত্তি দিয়ে দেয়। মোবারক ও নেসার উদ্দিন ভাই আমাকে ঘটনাটি জানাইলে আমি প্রশাসনের সহযোগিতা নিয়ে দাউদকান্দির গন্যমান্য ব্যক্তিদের সাহায্যে আজিম উদ্দিনের কাছ থেকে ২২ লক্ষ টাকা আদায় করে ১০ লক্ষ টাকা একজন অংশীদার নেছার উদ্দিনকে দেই এবং ১২ লক্ষ টাকা আজকের এই মোবারক যে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ এনেছে তাকে ব্যাংকের মাধ্যমে দেই। ব্যাংকের স্টেটমেন্ট সহ যাবতীয় প্রমাণ আমার কাছে আছে। ১২ লক্ষ টাকা পেয়ে মোবারক ২০১৭ সালের একটি পিক আপ কিনে এবং এটি ১০/১৫ দিন আগে বিক্রি করেছে। প্রকৃত প্রস্তাবে মোবারক একজন মানসিক ভারসাম্যহীন বিকারগ্রস্ত অসুস্থ পাগল ব্যক্তি তার সাথে তার স্ত্রী, ভাই, বাবা, আশেপাশের প্রতিবেশী, রক্ত সম্পর্কে কোন আত্মীয়-স্বজন কিংবা এলাকাবাসী কারো সাথেই তার কোন যোগাযোগ নেই, সম্পর্ক নেই। মোবারক কারো না কারো দ্বারা প্ররোচিত হয়ে, উদ্দেশ্যপ্রনোদিত ভাবে আমার সম্মান ইমেজ রাজনৈতিক কেরিয়ার বিনষ্ট করার উদ্দেশ্যে এ ধরনের অপপ্রচার চালানোর অপচেষ্টায় লিপ্ত। আমি সকল সত্য বিষয়ে মহান আল্লাহকে সাক্ষী রেখে ঘোষণা করছি আমার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের বিষয়ে আমার কোন দোষ নেই আমি অভিযুক্ত নই বরং মোবারকের টাকা আদায় করতে যেয়ে আমার অনেক সময় শ্রম মেধা ও অর্থ ব্যয় হয়েছে। আমি আপনাদের মাধ্যমে সকলের সাহায্য চাই।





























