
বাঞ্ছারামপুর ও হোমনা প্রতিনিধি:
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ভুরভুরিয়া চিশতীয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানা থেকে মাত্র সাত মাসে কোরআনে হাফেজ হয়ে এলাকায় আলোড়ন সৃষ্টি স্থাপন করেছেন বায়জিদ বোস্তামী নামের ১৩ বছরের এক শিশু। উপজেলার ছলিমাবাদ ইউনিয়নের ভুরভুরিয়া চিশতীয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানা থেকে মাত্র সাত মাসে সে হাফেজ হয়। সে ফরদাবাদ গ্রামের মো. ইসমাইল মিয়ার বড় সন্তান।
এ উপলক্ষে সোমবার (৪ মার্চ) দুপুরে ভুরভুরিয়া চিশতীয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানার উদ্যোগে মাদ্রাসা সংলগ্ন মাঠে এক ইসলামি সুন্নী মহা সম্মেলনে প্রধান বক্তা মাওলানা মুফতি গিয়াস উদ্দিন আত্ তাহেরী হাফেজ বায়জিদ বোস্তামি কে পাগড়ী পরিধান করিয়ে হাফেজ হিসেবে বরণ করে নেন। এছাড়া আরো দুই ছাত্রকে পাগড়ি পরিয়ে দেন তিনি।
বিশেষ বক্তা হিসেবে বয়ান পেশ করেন দেশ টিভির ধর্মীয় আলোচক শাহ মো. বদিউজ্জামান। এতে মো. ফুল মিয়া প্রধানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সৌদি প্রবাসী মো. নজরুল ইসলাম ও প্রধান মেহমান হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ছলিমাবাদ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. জালাল মিয়া।
বিশেষ মেহমান হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভুরভুরিয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের অধ্যক্ষ সাইদুর রহমান সহ এলাকার বিশেষ গণ্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ ও কয়েক হাজার মানুষ এতে উপস্থিত ছিলেন।
সাত মাসে কোরআন হাফেজের বিষয়ে মো.আরিফুল ইসলাম মাসুম বলেন, মাত্র সাত মাসে কোরআনে হাফেজ এটি সত্যিই অবাক করার মতো। শিক্ষকদের আন্তরিক প্রচেষ্টার ফলেই এটা সম্ভব হয়েছে। এই মাদ্রাসার সাফল্যের ধারা অব্যাহত থাকবে এবং এখান থেকে অল্প সময়ে আরো এমন কোরআনের হাফেজ হবে বলে আমরা আশাবাদী।
এ বিষয়ে অত্র মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক বলেন, বায়জিদ বোস্তামি খুবই মেধাবী একজন ছাত্র। সকল শিক্ষকদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় মাত্র সাত মাসেই সে কোরআনে হাফেজ হয়েছে। আপনাদের সন্তানদের কেও ইসলামী শিক্ষায় শিক্ষিত করতে এ মাদ্রাসায় ভর্তি করুন।





























