
মো কামরুল হোসেন সুমন,মনপুরাঃ ভোলার মনপুরায় মেঘনার পানি বিপৎসীমার উপর প্রবাহিত হয়ে বেড়িবাঁধের ভিতর ও বাহিরে নিম্নাঞ্চল ৫-৬ ফুট জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয়েছে। এতে ১০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।এছাড়াও ঢাকা যাওয়ার একমাত্র রামেনওয়াজ লঞ্চঘাটটি জোয়ারের পানিতে ডুবে যাওয়ায় ঢাকাগামী শত শত যাত্রীরা বিপাকে পড়েন।এদিকে উপজেলা থেকে বিচ্ছিন্ন বেড়িবাঁধহীন ৫নং কলাতলীর ইউনিয়নের চরকলাতলী, কাজীরচর ও ঢালচরের অবস্থা খুবই নাজুক। ওই সমস্ত এলাকায় ৬-৭ ফুট জোয়ারের পানিতে তলিয়ে গেছে জানান কলাতলী ইউনিয়নের সংবাদকর্মীরা।বৃহস্পতিবার দুপুর ২টায় মেঘনার পানি বিপৎসীমার ১০০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে বলে নিশ্চিত করেন পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) ডিভিশন-২ এর নির্বাহী প্রকৌশলী মো.আসাফউদ্দৌলা। যানা গেছে, উপজেলার ১নং মনপুরা ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডে পূর্বপাশে ৬০ কলোনিতে জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয়েছে। বুকসমান পানি প্রবাহিত হচ্ছে। কলোনিতে বসবাসরত ৬০ পরিবারের বসবাসরত বাসিন্দারা নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে ছুটছেন। কেউ ঘরের টিনের চালে আশ্রয় নিয়েছেন। এদিকে রামনেওয়াজ লঞ্চঘাট এলাকায় জোয়ারের পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন যাত্রীরা। জোয়ারের পানিতে ভিজে লঞ্চে যেতে হয়েছে তাদের।অপরদিকে বেড়িবাঁধহীন ৫নং কলাতলী ইউনিয়নের অধিকাংশ এলাকা জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয়।জোয়ারের প্লাবিত ষাট কলোনির বাসিন্দা ইয়াছিন, কামাল ও সখিনা বিবিসহ অনেকে জানান, দিনে-রাতে দুই বেলাই জোয়ারের পানি প্লাবিত হচ্ছে। এতে তাদের পরিবারের সবাইকে নিয়ে ঘরের উপরে টিনের চালে আশ্রয় নিতে হয়। রাতের জোয়ারে বেশি বিপাকে পড়ি। রাত হলে অপেক্ষা করতে হয় কখন জোয়ার আসবে কখন যাবে। দুর্ভোগের মধ্যে আছি।একজন জানান, রামেওয়াজ ঘাটসহ এলাকায় জোয়ারের পানিতে তলিয়ে গেছে। পানিবন্দি হয়ে পড়েছে হাজার হাজার মানুষ।এ বাপারে পানি উন্নয়নের বোর্ড ডিভিশন-২ নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আসাফউদ্দৌলা জানান, মেঘনায় জোয়ারের পানি ১০০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় বেড়িবাঁধ ও বেড়িবাঁধের বাহিরে প্লাবিত হয়েছে। রামনেওয়াজ এলাকার পুরানো বেড়িবাঁধ সংস্কারের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।





























