
নারায়ণগঞ্জের আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে “১৭টি আঞ্চলিক পাসপোর্ট (সংশোধিত ১৬টি) অফিস নির্মাণ (২য় সংশোধন)” শীর্ষক সমাপ্ত প্রকল্পের প্রভাব মূল্যায়ন সমীক্ষা উপলক্ষে স্থানীয় পর্যায়ের এক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার সকাল ১০টায় অফিসের সম্মেলন কক্ষে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়।
কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আইএমইডি’র মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) এস. এম. তারিক।
সভাপতিত্ব করেন আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস, নারায়ণগঞ্জের উপ-পরিচালক শামীম আহমদ।
বিশেষ অতিথি ছিলেন আইএমইডি’র উপপরিচালক (সিনিয়র সহকারী সচিব) শাম্মা লাবিবা অর্ণব।
অনুষ্ঠানে প্রকল্পের প্রভাব মূল্যায়ন বিষয়ক উপস্থাপনা করেন সমীক্ষা দলনেতা ইঞ্জিনিয়ার আবুল কালাম সামসুদ্দিন।
পাশাপাশি কনসালটেন্সি ফর সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট (সিএসডি)-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাসির উদ্দিন মিনা মাঠপর্যায় থেকে প্রাপ্ত প্রাথমিক ফলাফল তুলে ধরেন।
উন্মুক্ত আলোচনায় গণপূর্ত বিভাগের সহকারী পরিচালক আবুল কালাম আজাদ ও উপপ্রকৌশলী সাইফুল ইসলাম বক্তব্য দেন। এ ছাড়া দুইজন সাংবাদিক ও কয়েকজন পাসপোর্ট সেবাগ্রহীতা তাদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।
তারা বলেন, পাসপোর্ট অফিসের অবস্থানগত সুবিধার কারণে সেবাগ্রহীতাদের যাতায়াত সহজ হয়েছে। পাশাপাশি অফিসে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন পরিবেশ, সুপেয় পানির ব্যবস্থা এবং রোদ-বৃষ্টি এড়াতে শেডের নিচে বসার স্থান নিশ্চিত হওয়ায় সেবার মান বেড়েছে। শৃঙ্খলাও আগের তুলনায় অনেকটাই ফিরে এসেছে।
এ সময় এক বক্তা পাসপোর্ট অফিসের সামনের প্রধান সড়কে পথচারীদের নিরাপদ চলাচলের জন্য একটি ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণের দাবি জানান।
সভাপতির বক্তব্যে নারায়ণগঞ্জ পাসপোর্ট অফিসের
উপ-পরিচালক শামীম আহমদ বলেন, “পাসপোর্ট সেবা আরও সহজ, স্বচ্ছ ও জনবান্ধব করতে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। দালালমুক্ত পরিবেশ বজায় রাখা এবং সেবাগ্রহীতাদের ভোগান্তি কমানোই আমাদের প্রধান লক্ষ্য।”
বক্তারা পাসপোর্ট সেবার মানোন্নয়ন, সেবাপ্রাপ্তির প্রক্রিয়া আরও সহজ করা এবং বিদ্যমান সুবিধাগুলো টেকসইভাবে বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
কর্মশালাটি যৌথভাবে আয়োজন করে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ (আইএমইডি) এবং সিএসডি। সমীক্ষার অংশ হিসেবে এর আগে প্রকল্প এলাকায় সরেজমিন পরিদর্শন ও সুবিধাভোগীদের মধ্যে জরিপ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয় বলে জানানো হয়।




























