
টানা চার ম্যাচ গোলের দেখা পাননি কিলিয়ান এমবাপে। রিয়াল মাদ্রিদে যোগ দেওয়ার পর মানিয়ে নিতে কষ্ট হচ্ছিল এই ফরাসি তারকার। ব্রাজিলিয়ান তারকা ভিনিসিয়ুুস জুনিয়রের কারণে আক্রমণের বাম প্রান্তে নিজের প্রিয় পজিশনটা পাননি রিয়ালে।
তবে লেগানেসের বিপক্ষে আরও একবার জায়গা বদলে কোচ আনচেলত্তি এমবাপেকে খেলান বাম প্রান্তে। আর ভিনিসিয়ুুসকে নামিয়েছিলেন সেন্টার ফরোয়ার্ড হিসেবে। শেষ পর্যন্ত দুই ফরোয়ার্ডের এই বদলের সুফল পেল রিয়াল। লা লিগায় লেগানেসকে ৩-০ গোলে হারিয়ে বার্সার সঙ্গে ব্যবধান কমাল রিয়াল।
এমন দিনে অতীতে ফিরে যান এমবাপে। রিয়ালে যোগ দেওয়ার পর প্রথম ম্যাচের কথা মনে দিয়েছেন তিনি। সেদিন যেমন বলেছিলেন, এখনও তেমনি জানান পজিশন নিয়ে কোনো পছন্দ বা চাওয়া তার নেই।
ম্যাচ শেষে দুজনের পজিশনের এই পরিবর্তনের কথা আলাদা করে বলেন আনচেলত্তিও, ‘ওদের দুজনের পজিশন একটু বদলে দিয়েছি আমরা। কিলিয়ান বাম পাশে খেলেছে, যেখানে সে ভালো করেছে এবং ভিনিসিয়ুস খেলেছে ভেতরে। উন্মুক্ত গোলের ক্ষেত্রে তাদের পারফরম্যান্সকে তুলে ধরতে হবে আমাদের। তারা খুবই ভালো খেলেছে। ভিনিসিয়ুসের দুর্দান্ত অ্যাসিস্ট থেকে গোল করেছে এমবাপে। আস্তে আস্তে তারা দুজনই উন্নতি করছে।’
দুজনে পজিশন বদলে দারুণ পারফরম্যান্স করলেও এখন থেকে এই পজিশনেই দুজনকে নিয়মিত দেখা যাবে এমন নিশ্চয়তা দেননি আনচেলত্তি। রিয়াল মাদ্রিদ কোচ বলেন, ‘কিলিয়ান ওই পজিশনে (বাম পাশে) খেলতেই অভ্যস্ত এবং আজকে তার জন্য, দলের জন্য এটিই ছিল সবচেয়ে উপযুক্ত। কারণ বাইরে খেলতে হলে অনেক বেশি প্রচেষ্টার প্রয়োজন হয়। ভিনিসিয়ুস ফিরে এসেছে (আন্তর্জাতিক বিরতি থেকে) বৃহস্পতিবার, কিন্তু কিলিয়ান দেড় সপ্তাহ ধরেই এখানে অনুশীলন করছিল এবং বেশি তরতাজা ছিল।’
লেগানেসের বিপক্ষে গোলের পর অভ্যস্ত পজিশনে খেলার স্বস্তির প্রসঙ্গে জানতে চাওয়া হয় এমবাপের কাছেও। যদিও এমবাপে তিনি এটিকে পাত্তাই দেননি, ‘সাম্প্রতিক সময়ের অন্য ম্যাচগুলোর চেয়ে ভিন্ন পজিশনে খেলেছি আজকে। তবে এখানে আসার পর প্রথম দিনেই যেটা বলেছি, পজিশন নিয়ে কোনো আপত্তি নেই আমার। বিভিন্ন পজিশনে খেলতে পারি। আজকে এক পজিশনে খেললাম, পরের ম্যাচে অন্য পজিশনেও খেলতে পারি। আমি শুধু দলকে সহায়তা করতে চাই। আমার পুরো ক্যারিয়ারের গল্পই এমন। বামে খেলতে পারি, ডানে খেলত পারি, সামনে দুজনের একজন হয়ে খেলতে পারি। কোনোটিতেই আপত্তি নেই। আমার চাওয়া শুধু ভালো খেলা, গোল করা ও দলকে সহায়তা করা।’







































