
টানা সাত ইনিংসে সেঞ্চুরি ছিল না জো রুটের। এমন উল্লেখযোগ্য কোনো ব্যাপার এমনিতে নয়। তবে আগের ৯ ইনিংসে চার সেঞ্চুরি দুই ফিফটি ছিল যে ব্যাটসম্যানের, তার জন্য সাত ইনিংস ফিফটি বা সেঞ্চুরি না করা বড় ব্যাপার বটে! ব্যক্তিগত সেই ‘খরা’ কাটিয়ে যথারীতি আপনরূপে ফিরলেন ইংল্যান্ডের ইতিহাসের সফলতম ব্যাটসম্যান।
ওয়েলিংটন টেস্টের তৃতীয় দিন সকালে সেঞ্চুরি পূরণ করলেন রুট। টেস্ট ক্রিকেটে যেটি তার ৩৬তম সেঞ্চুরি।
সেঞ্চুরি সংখ্যায় তিনি এখন ভারতীয় কিংবদন্তি রাহুল দ্রাবিড়ের পাশে। যৌথভাবে টেস্ট ইতিহাসের পঞ্চম সর্বোচ্চ সেঞ্চুরিয়ান তারা দুজন।
২৮৬ ইনিংসে ৩৬ সেঞ্চুরিতে শেষ হয়েছে দ্রাবিড়ের ক্যারিয়ার। রুট তাকে স্পর্শ করলেন ১০ ইনিংস কম খেলে।
সেঞ্চুরির পথে টেস্টের দ্বিতীয় দিনেই অনেকটা এগিয়ে যান রুট। দিন শেষ করেন ৭৩ রান নিয়ে। তৃতীয় দিনে রোববার বাকি পথ পাড়ি দিতে সময় খুব একটা লাগেনি তার। দিনের সপ্তম ওভারেই উইল ও’রোককে রিভার্স র্যাম্প শটে চার মেরে শতরানে পা রাখেন ১২৭ বলে।
পরের বলে আরেকটি চার মারেন আরেকটি। এক বল পরই উইকেটের পেছনে ধরা পড়েন ১০৬ রান করে।
তার বিদায় দিয়েই ইনিংস ঘোষণা করে দেন বেন স্টোকস। ইংল্যান্ড অধিনায়ক নিজে যদিও তখন অপরাজিত ৪৯ রানে। কিন্তু ১ রানের অপেক্ষাও করেননি।
ওভারপ্রতি পাঁচের বেশি রান তুলে ৬ উইকেটে ৪২৭ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করে ইংল্যান্ড। নিউ জিল্যান্ডের সামনে লক্ষ্য ৫৮৩ রানের।
এই ইনিংসের পথে আগের দিন ইংল্যান্ডের রান যখন ২৫৪, তখনই দারুণ এক মাইলফলক পূর্ণ হয় তাদের। প্রথম দল হিসেবে টেস্ট ক্রিকেটে ৫ লাখ রান পূরণ করে ইংলিশরা।
ইনিংস শেষ তাদের রান ৫ লাখ ১৭৩। তাদের ঠিক পরেই আছে অস্ট্রেলিয়া। টেস্ট ইতিহাসের সফলতম দলটির রান ৪ লাখ ২৯ হাজার ১১।
তবে গড় রানে ঠিকই সবার ওপরে অস্ট্রেলিয়া। ৮৬৮ ম্যাচে তাদের খেলে খেলেছেন ৪৬৭ ক্রিকেটার। গড় রান ৩২.৬০। ইংল্যান্ড খেলেছে ১ হাজার ৮২ ম্যাচ। এখনও পর্যন্ত মাঠে নেমেছেন ৭১৭ জন ক্রিকেটার। গড় রান ৩০.৩২।
অ্যাডিলেইড টেস্টের তৃতীয় দিন শুরুর আগে ৫১৬ টেস্টে ৩১৬ ক্রিকেটার নিয়ে ২ লাখ ৭৮ হাজার ৭৭৮ রান করে তিনে ভারত। তাদের গড় ৩১.৭৭।
রানের তালিকায় বাংলাদেশ আছে ৯ নম্বরে। ১৫০ টেস্টে তাদের রান ৬৪ হাজার ৮৫০। ১০৬ ক্রিকেটার নিয়ে গড় রান ২৩.২৪, যা প্রথম দশটি টেস্ট খেলুড়ে দেশের মধ্যে সর্বনিম্ন।







































