
গাজী হাবিব:
সাতক্ষীরা জেলায় প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা ২০২৫-এর প্রথম দিনের পরীক্ষা সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে। তবে এ বৃত্তি পরীক্ষা শুরুর দিনেই অনুপস্থিত রয়েছে ৩ হাজারের বেশি। বুধবার (১৫ এপ্রিল) সকাল ১০টা থেকে শুরু হয়ে বেলা সাড়ে ১২টা পর্যন্ত জেলার নির্ধারিত ১৭টি কেন্দ্রে বাংলা বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, জেলার সাতটি উপজেলায় নির্ধারিত ১৭টি কেন্দ্রে মোট ৮ হাজার ৫০২ জন শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণের কথা থাকলেও প্রথম দিনে অনুপস্থিত ছিল ৩ হাজার ৩০৪ জন। এতে উপস্থিতির হার দাঁড়িয়েছে ৬১ দশমিক ১৪ শতাংশ। পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে বালক ৩ হাজার ৩০৫ জন এবং বালিকা ৩ হাজার ৪৮৭ জন।
উপজেলাভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, সর্বোচ্চ ১ হাজার ৭৫৩ জন শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছে সদর উপজেলায়। অন্যদিকে সর্বনিম্ন ৪৭৫ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছে দেবহাটা উপজেলায়। এছাড়া আশাশুনি, কলারোয়া, কালিগঞ্জ, তালা ও শ্যামনগর উপজেলাতেও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে।
পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে জেলার সব কেন্দ্রে আগাম প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়। প্রশ্নপত্র ফাঁসসহ যেকোনো ধরনের অনিয়ম প্রতিরোধে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছিল। প্রতিটি কেন্দ্রে প্রশাসন, শিক্ষা বিভাগ এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করেছেন।
নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বেলা সাড়ে ১২ টা পর্যন্ত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। আগামী ১৬ এপ্রিল ইংরেজি, ১৭ এপ্রিল প্রাথমিক গণিত এবং ১৮ এপ্রিল বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় এবং প্রাথমিক বিজ্ঞান বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
এ বিষয়ে সাতক্ষীরা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. রুহুল আমীন বলেন, সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সব মিলিয়ে আমরা একটি ভালো পরীক্ষা উপহার দিতে পারব। বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করলে আমাদের শিশুরাই লাভবান হবে।
তিনি আরও জানান, বর্তমান সরকার বৃত্তির সংখ্যা ও অর্থের পরিমাণ বৃদ্ধি করায় শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় আগ্রহ আরও বাড়বে।
শুভ্র/




























