
শেরপুর প্রতিনিধি :
শেরপুরের চরপক্ষীমারি ইউনিয়নের ধানুরপাড়া গ্রামের হাবুল ও জালাল হত্যাচেষ্টা মামলায় আাসামি করায় ও একই ঘটনায় জড়িয়ে মানববন্ধনের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন মো: বাবুল মিয়া নামে এক ভুক্তভোগী।
১৯ সেপ্টেম্বর শুক্রবার বিকেলে শেরপুর শহরের রঘুনাথ বাজার এলাকায় এক সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী বাবুল মিয়া তার বিরুদ্ধে একটি হত্যা চেষ্টা মামলায় আসামি করা ও বিভিন্ন ভিত্তিহীন অভিযোগ তোলে মানববন্ধন করার তীব্র প্রতিবাদ জানান।
এক লিখিত বক্তব্যে ভুক্তভোগী বাবুল মিয়া বলেন, ধানুরপাড়া গ্রামের মৃত জব্বার ফকিরের ছেলে শরীফ মাস্টার একটি মিথ্যা ঘটনাকে কেন্দ্র করে ঘটনার দীর্ঘ ১৪ মাস পর প্রকৃত দোষীদের দোষীদের বাদ দিয়ে আমাকে মিথ্যা আসামি দিয়ে আমার পরিবারের লোকজনদের হয়রানি করছে। এবং প্রকাশ্য দিবালোকে অস্ত্রের মুখে আমাদের ঘরবাড়িতে হামলা করে গরুছাগল ও নগদ অর্থ চুরি করে। আর হাবুল ও জালাল দুই ভাইকে ইন্তাজ ও আব্দুস সামাদ এবং তাদের পরিবারের লোকজন কুপিয়ে জখম করেছে। যার প্রমাণ আছে।
এছাড়া বাবুল তার বিরুদ্ধে আনা পারী এনজিওর মাধ্যমে খ্রিস্ট ধর্ম গ্রহণ ও ওই গ্রামের একটি মেয়েকে উত্যক্ত করা, দলীয় প্রভাব খাটানোর অভিযোগ অস্বীকার করেন। কারণ তিনি বলেন আমি কোন রাজনৈতিক দলের সাথে জড়িত না। বরং বিভিন্ন সামাজিক বিষয়ে আমি সংগঠক হিসেবে কাজ করে আসছি।
মেয়ে কে উত্যক্ত করা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ছমির কামারের কিশোরী কন্যা মিনারা বেগম মিনির চার জায়গায় বিবাহ হয়েছিল বলে জানান তিনি। সে একজন দেহ ব্যবসায়ী। এছাড়া মিনারা বেগম যে মিথ্যা মামলা দায়ের করেছিলো সেটা হতে পুলিশী তদন্তে তা অব্যাহতি দেওয়া হয়।
এছাড়া এ সকল ঘটনা শরীফ মাস্টারের ইশারায় তাকে বিপদে ফেলার জন্যই হচ্ছে বলে বাবুল মিয়া দাবি করেন। তিনি উপস্থিত প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য তোলে ধরার আহবান জানান। এবং তাকে মিথ্যা মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়ার দাবি করেন।





























