
স্টাফ রিপোর্টার
সুনামগঞ্জ-১ (তাহিরপুর, জামালগঞ্জ, মধ্যনগর ও ধর্মপাশা) আসনের বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী সালমা নজির গ্রাম থেকে গ্রামান্তরে গণসংযোগে এখন আলোচনায়।ব্যয়বহুল স্পিডবোট নয়, সাধারণ ট্রলারেই তিনি দিনভর ছুটছেন এক গ্রাম থেকে আরেক গ্রামে। হাওরপাড়ের মানুষের সঙ্গে কুশল বিনিময় করছেন,শুনছেন তাদের অভিযোগ-অনুযোগ।
স্থানীয়রা জানান যেখানে ইউনিয়ন বিএনপির নেতারা সাধারণত স্পিডবোটে চলাফেরা করেন,সেখানে এমপি মনোনয়ন প্রত্যাশি হয়ে সালমা নজিরের এই সরল প্রচারণা সাধারণ মানুষের কাছে আস্থা তৈরি করছে।নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে তিনি বাড়ি বাড়ি গিয়ে পরিচিত হচ্ছেন,তুলে ধরছেন দলীয় অবস্থান ও নিজের পরিকল্পনা।
স্থানীয় রাজনীতিতে তার এই প্রচারণা নতুন মাত্রা যোগ করেছে বলে মনে করছেন অনেকেই। তারা বলছেন,হাওরের মানুষের ভাষা,যাতায়াত পদ্ধতি ও জীবনযাত্রাকে গুরুত্ব দিয়েই এই প্রচার-প্রচারনা চালিয়েছেন সালমা নজির।
হাওরের সাধারণ মানুষ বলছেন,সালমা নজিরের প্রচারণা ভিন্নমাত্রা এনেছে। তারা মনে করছেন, তিনি যদি নির্বাচিত হন,তবে হাওর পাড়ের প্রকৃত সমস্যাগুলো সমাধানে সোচ্চার থাকবেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন,মাঠ পর্যায়ে এমন জনসম্পৃক্ত প্রচারণা বিএনপির জন্য সহায়ক হতে পারে। এতে দলীয় কর্মী-সমর্থকেরা উৎসাহিত হচ্ছেন এবং সাধারণ ভোটারের সাথে সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হচ্ছে।
এব্যাপারে জানতে চাইলে সালমা নজির বলেন
হাওরের মানুষের জীবনযাত্রা আমি খুব কাছ থেকে দেখেছি। তাই আমি ব্যয়বহুল স্পিডবোট নয়, সাধারণ ট্রলারেই চলাচল করছি।সাধারণ মানুষ যে যে কষ্ট করেন,আমি সেই কষ্ট অনুভব করি।আমি সাধারণ মানুষের মতো কাদামাটি মাড়িয়ে,ঢেউয়ের সঙ্গে লড়াই করে তাদের কাছে পৌঁছাতে চাই।
রাজনীতি আমার কাছে ক্ষমতা নয়, এটি মানুষের পাশে থাকার অঙ্গীকার। আমি যদি আগামী দিনে সুনামগঞ্জ-১আসনের জনগণের প্রতিনিধি হওয়ার সুযোগ পাই,তবে হাওরের মানুষের শিক্ষা,স্বাস্থ্য, যাতায়াত ও জীবিকার উন্নয়নকে আমি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেব।জনগণের দোয়া ও সমর্থন আমার সবচেয়ে বড় শক্তি।





























