
সোহরাব উদ্দিন মন্ডল,গাজীপুর গাজীপুরের কাশিমপুরে বাকির টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে ব্যবসায়ী দম্পতিকে মারধরের অভিযোগের ঘটনায় স্থানীয় সালিশে অভিযুক্ত পক্ষের বিরুদ্ধে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা নির্ধারণের পর এক নারী আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ২০ জুন কাশিমপুর থানাধীন ৩নং ওয়ার্ডের বারেন্ডা মোল্লা মার্কেট এলাকায় অবস্থিত 'কায়নাত কাপড় ও কসমেটিকস' নামীয় প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়ী দম্পতিকে বাকির টাকা চাওয়ার জেরে মারধর করে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার ছিনিয়ে নেয়া হয়। পরে এ ঘটনায় আহত তিথিলা আক্তার বর্ষা নামের এক নারী কাশিমপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, অভিযোগ দায়েরের পর বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে সমাধানের জন্য প্রভাবশালীদের মাধ্যমে চাপ দেয়া হয়। এরই ধারাবাহিকতায় রবিবার স্থানীয় রাজনৈতিক এবং অন্যান্য পেশাজীবি গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে একটি সালিশ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সালিশে মারধরের ঘটনায় অভিযুক্ত পক্ষকে ভুক্তভোগী বর্ষার কাছে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা পরিশোধের সিদ্ধান্ত দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। তবে পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, সালিশে নির্ধারিত জরিমানার অর্থ পরিশোধ এবং ঘটনার সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে সৃষ্টি হওয়া মানসিক চাপ ও ক্ষোভের কারণে সালিশেত পর রাতেই বর্ষা আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। পরে স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়ে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন।ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবার ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে।এদিকে এ বিষয়ে কাশিমপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোল্লা খালিদ হোসেন জানান, "মারধরের ঘটনাটি নিয়ে দায়ের করা অভিযোগের বিষয়টি সম্পর্কে তদন্ত কাজ চলমান ছিল। রবিবারের স্থানীয়ভাবে সালিশের বিষয়ে থানাকে অবহিত করে নাই কোনপক্ষ। সালিশের পর আত্মহত্যার চেষ্টার খবর পেয়ে ফোর্সসহ আমি দ্রুত ঘটনাস্থলে যাই। পরে বর্ষাকে চিকিৎসার জন্য মেডিকেলে পরিবারের লোকজনের মাধ্যমে পাঠিয়ে মারধরের ঘটনায় অভিযুক্ত ২ জনকে আটক করা হয়েছে। বর্ষার দ্রুত সুস্থতার জন্য দোয়া চাই পাশাপাশি মারধরের ঘটনায় অভিযোগের বিষয়ে অন্যান্য প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা দ্রুততম সময়েই নেওয়া হবে।"






























