
পোরশা (নওগাঁ) প্রতিনিধি
বারিন্দা গ্রামে যাতায়াতের সরকারি রাস্তা ও খাস জমি দখল করে বসতবাড়ি নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে।এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর তেতুলিয়া ইউনিয়নের বারিন্দা গ্রাম বাসির পক্ষে জিল্লুর রহমানের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ করা হয়।
গ্রামবাসির স্বাক্ষরিত অভিযোগ সূত্র ও গতকাল বিকেলে সরেজমিনে দেখা গেছে, উল্লেখিত গ্রামে একটি ফাজিল মাদ্রাসা ও একটি কাওমী দাওরা হাদিস বড় মাদ্রাসা এবং শেখ পাড়া ও কাতিপুর নামে পাশাপাশি দুটি গ্রাম রয়েছে। ওই রাস্তা দিয়ে ছাত্র শিক্ষক ও গ্রামবাসী চলাচল করে। পাশে একটি খেলার মাঠ সেখানে গ্রামের ছেলেরা ফুটবলসহ বিভিন্ন খেলাধুলা করে।
এভাবে সরকারি রাস্তা ও খেলাধুলার মাঠটি দখল হয়ে গেলে গ্রামবাসীর বিনোদন ও চলাচলে বড় অসুবিধায় পড়বে।
বর্তমানে রাস্তার উত্তর পার্শ্বে এবং খেলার মাঠের দক্ষিণ পাশে জিল্লুর রহমান পাঁচতলা ভবনের কাজ শুরু করে নির্মাণের প্রায় অর্ধেকের বেশি কাজ সম্পূর্ণ হয়ে গেছে।
অভিযোগের ভিত্তিতে এবং পোরশা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাথে মোবাইল ফোনে বিষয়টি অবগত করলে উপজেলা প্রকৌশলী সুলতানুল ইমাম, ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা রাশেদুল ইসলাম সহ সরকারি সার্ভেয়ার ঘটনাস্থল মাপজোক করে এর সত্যতা দেখতে পায় এবং নির্মাণ কাজ বন্ধ করেন। গ্রামবাসির সামনে জিল্লুর রহমানকে সরকারি খাস জায়গা ও রাস্তা বাদ দিয়ে বাড়ি নির্মাণ করার পরামর্শ দেন।
সে অনুযায়ী রাস্তার দিকে লোকদেখানো আংশিক ভাঙলেও পুনরায় কাজ চালিয়ে যাওয়ার পাঁয়তারা করছেন জিল্লুর রহমান।
তবে একটি সূত্র জানিয়েছে, স্থানীয় কোন প্রভাবশালী মহল মোটা অর্থের বিনিময়ে এ কাজে ইন্ধন যোগাচ্ছে।
অভিযুক্ত জিল্লুর রহমান বলেন, আমার ক্রয় করাজমিতে বাড়ি নির্মাণ করতে কিছুটা সরকারি জায়গায় চলে গেছে।
বারিন্দা গ্রামের মেম্বার আনিসুর রহমান বলেন , রাস্তা ও খাস জমি ছেড়ে নির্মান করার সিদ্ধান্তে গ্রামবাসীর সাথে আমি একমত।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাকিবুল ইসলাম বলেন, বাড়ির নির্মান কাজ বন্ধ রাখার কথা। ঠিক আছে আবারও তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



























