
মোঃ ইয়াছিন সরকার মুরাদনগর (কুমিল্লা) প্রতিনিধি কুমিল্লার মুরাদনগরে একদিকে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে চলছে প্রশাসনের অভিযান, অন্যদিকে রাত ৮টার দিকে মুরাদনগর আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একাধিক বৈদ্যুতিক ফ্যান ও লাইট জ্বলে থাকতে দেখা যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।স্থানীয়দের দাবি, বিদ্যালয়ের কার্যক্রম শেষ হওয়ার পরও রাতে বিদ্যালয় ভবনে একসঙ্গে বেশ কয়েকটি ফ্যান ও একাধিক লাইট চালু ছিল। এতে অপ্রয়োজনীয়ভাবে সরকারি বিদ্যুৎ ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে।এদিকে বিদ্যুৎ সাশ্রয় ও অপচয় রোধে মুরাদনগর উপজেলার ভূমি কর্মকর্তা সাকিব হাসান বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালাচ্ছেন । বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে বিদ্যুৎ ব্যবহারে সচেতনতা তৈরির পাশাপাশি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হচ্ছে।এ অবস্থায় স্থানীয়দের প্রশ্ন, “সাধারণ মানুষের দোকানে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জন্য অভিযান ও জরিমানা হলে সরকারি প্রতিষ্ঠানেও অপ্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ ব্যবহারের অভিযোগের ক্ষেত্রে কি একই নিয়ম প্রযোজ্য নয়?”স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, সরকারি সম্পদ ও বিদ্যুৎ অপচয়ের অভিযোগটি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত করে দেখা উচিত।তাদের আরও দাবি, বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নির্দেশনা শুধু সাধারণ মানুষ বা ব্যবসায়ীদের জন্য নয়; সরকারি অফিস, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ সব সরকারি স্থাপনাতেও তা সমানভাবে কার্যকর করা উচিত।এ বিষয়ে মুরাদনগর আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে প্রতিবেদনে সংযোজন করা হবে।




























