
বিশেষ প্রতিনিধিঃ
নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলার দুপ্তরা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দিতার ঘোষণা দিয়ে এলাকা জুড়ে ব্যাপক আলোচনায় এসেছেন সমাজসেবক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব মোঃ শহীদুল ইসলাম শহীদ। তিনি আড়াইহাজার উপজেলা কোকো স্মৃতি সংসদের সদস্য সচিব পদে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে এলাকার নানা সামাজিক ও মানবোন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে যুক্ত রয়েছেন। ইউনিয়নকে একটি সন্ত্রাস, মাদক মুক্ত ও আধুনিক মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলার সংকল্প নিয়ে তিনি সর্বস্তরের জনগণের নিকট দোয়া, ভালোবাসা ও সার্বিক সমর্থন কামনা করেছেন। রাজনৈতিক জীবনের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে মোঃ শহীদুল ইসলাম শহীদ জানান, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক দর্শন ও আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়েই তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) রাজনীতির সাথে যুক্ত হন। বিগত ১৭ বছরের রাজনৈতিক প্রতিকূল পরিস্থিতিতে রাজপথের লড়াকু সৈনিক হিসেবে প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামে তিনি সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন। নারায়ণগঞ্জ-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম আজাদের হাতকে শক্তিশালী করা এবং তৃণমূল পর্যায়ে দলীয় সংগঠনকে সুসংগঠিত করার লক্ষ্যেই তিনি নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। রাজনীতির পাশাপাশি মানবিক কর্মকাণ্ডেও রয়েছে তার উজ্জ্বল উপস্থিতি। বৈশ্বিক মহামারী করোনাকালীন কঠিন সময়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অসহায় ও কর্মহীন মানুষের দুয়ারে দুয়ারে খাদ্যসামগ্রী ও প্রয়োজনীয় সহায়তায় পৌঁছে দিয়ে তিনি সাধারণ মানুষের মন জয় করেন। নিজের প্রার্থিতা ও লক্ষ্য সম্পর্কে মোঃ শহীদুল ইসলাম শহীদ বলেন, "রাজনীতি কোনো ব্যক্তি স্বার্থের জন্য নয়, জনগণের কল্যাণের জন্যই আমি রাজনীতি করি। দীর্ঘ ১৭ বছর পর দেশে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। দুপ্তরা ইউনিয়নের অবহেলিত মানুষের খেদমত ও সুশাসন নিশ্চিত করতেই আমি চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দিতা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। জনগণ সুযোগ দিলে অন্যায়, মাদক ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করে দুপ্তরাকে একটি মডেল ও আধুনিক ইউনিয়নে রূপান্তর করবো।
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দুপ্তরা ইউনিয়নের প্রতিটি গ্রাম ও ওয়ার্ডে সাধারণ মানুষের দোয়ার দরখাস্ত নিয়ে জোর গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন এই নেতা। তৃণমূলের সাধারণ মানুষ ও দলীয় নেতা-কর্মীরা তার এই প্রার্থিতাকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন।





























