
তথ্যপ্রযুক্তির বৈশ্বিক বাজারে সফল হতে চাইলে শুধু কারিগরি দক্ষতা নয়, পাশাপাশি ইংরেজি ভাষায়ও দক্ষতা অর্জন আবশ্যক। বিষয়টির গুরুত্ব উপলব্ধি করে এবার আইটি প্রশিক্ষণের পাশাপাশি ইংরেজি ভাষার নতুন কোর্স চালু করেছে বিডিকলিং একাডেমি। তরুণদের দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে চালু হওয়া এই কোর্সের নাম ‘বেসিক ইংলিশ কমিউনিকেশন্স’।
গত সোমবার (২৭ এপ্রিল) বিডিকলিং একাডেমির অ্যাসিস্ট্যান্ট জেনারেল ম্যানেজার (এজিএম) রনি সাহা স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কোর্সে ইংরেজি শব্দভাণ্ডার (ভোকাবুলারি) সমৃদ্ধকরণ, উচ্চারণ ও সঠিক সুর প্রয়োগের কৌশল, বাক্য গঠনের নিয়ম, দৈনন্দিন কথোপকথন ও সামাজিক যোগাযোগের দক্ষতা এবং নিয়মিত অনুশীলনের সুযোগ থাকবে। তিন মাস মেয়াদি এই কোর্সের ক্লাস হবে সকাল থেকে সন্ধ্যা ৩ ঘন্টা করে। নির্ধারিত কোর্স ফিতে থাকছে বিশেষ স্কলারশিপ।
এতে বলা আরও হয়, শুধু ইংরেজি নয়, বিডিকলিং একাডেমি ইতোমধ্যে দেশের তরুণদের আইটি খাতে দক্ষ করে তুলতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখছে। ২০২৪ সালে প্রায় ৫ হাজার শিক্ষার্থীকে আইটি সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। এর মধ্যে ৩ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থী ইতোমধ্যে বিডিকলিংসহ দেশের নামকরা বিভিন্ন আইটি প্রতিষ্ঠানে চাকরিতে যোগ দিয়েছেন। শতভাগ স্কলারশিপের মাধ্যমে বিনামূল্যে প্রশিক্ষণ পেয়েছে প্রায় ৫ শতাধিক শিক্ষার্থী।
নতুন কোর্সের বিষয়ে রনি সাহা বলেন, "আইটি সেক্টরে কাজ করতে গেলে ইংরেজি জানা অত্যন্ত জরুরি। আমাদের কাছে প্রশিক্ষণ নিতে আসা অনেক শিক্ষার্থীর মধ্যেই ইংরেজিতে দুর্বলতা লক্ষ্য করেছি। বিশেষ করে যারা ফ্রিল্যান্সিংয়ে ক্যারিয়ার গড়তে চান, তাদের জন্য ইংরেজি অপরিহার্য। তাই আমরা অন্যান্য আইটি কোর্সের পাশাপাশি ইংরেজির ওপরও গুরুত্ব দিয়েছি। আশা করছি, এতে শিক্ষার্থীরা আরও বড় পরিসরে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারবে।”
তিনি আরও জানান, “২০১৩ সালে মাত্র একটি কম্পিউটার নিয়ে ফ্রিল্যান্সিং দিয়ে বিডিকলিং আইটি লিমিটেডের যাত্রা শুরু হয়। আজ আমাদের কর্মীর সংখ্যা প্রায় আড়াই হাজারে পৌঁছেছে। সামনে আমাদের লক্ষ্য আরও বড়—দেশের আইটি খাতে বিশাল কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করা।”
রনি সাহা বলেন, “আইটি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষতা অর্জন করা তরুণরা এখন শুধু দেশের ভেতরে নয়, আন্তর্জাতিক বাজারেও নিজেদের জায়গা করে নিচ্ছেন। ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির জন্য বিডিকলিং একাডেমি কাজ করে যাচ্ছে।”







































