শিরোনাম
শহীদ জিয়ার হাত ধরেই বিদেশে শ্রমিক রপ্তানি ও বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের যাত্রা শুরু - ফজলুল হক মিলন লালমোহনে ‘লাস্ট ড্রেস বাই শওকত’ এর উদ্যোগে অসহায় ও দুস্থদের জন্য দাপন কাপনের সামগ্রী বিতরণ মুরাদনগরে মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে এলাকাবাসীর মাদকবিরোধী র‌্যালী মুরাদনগরে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়সহ বিভিন্ন অপরাধে ২০ মামলায় জরিমানা চরফ্যাশনে ধর্ষণচেষ্টা: আত্মরক্ষায় যুবকের গোপনাঙ্গ কেটে দিলেন গৃহবধূ তরুণকে পিটিয়ে হত্যা: সন্দেহভাজনদের বাড়িতে হামলা-অগ্নিসংযোগ জঙ্গল সলিমপুরকে অপরাধীদের আস্তানা হতে দেওয়া হবে না : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্বজনদের মায়া ছেড়ে ব্যস্ত নগরীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা ইভিএম এখন নির্বাচন কমিশনের ‘বোঝা’ সুন্দরবনে বেড়েছে হরিণশিকারি চক্রের দৌরাত্ম্য
রবিবার ৩১ মে ২০২৬
রবিবার ৩১ মে ২০২৬

দ্য ইকনোমিস্টের দৃষ্টিতে ড. ইউনূসের ৩ চ্যালেঞ্জ

আলোকিত সকাল প্রতিবেদক
প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৮ আগস্ট ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৮ আগস্ট ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ

Image

৫ আগস্ট ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ঢাকায় বিচার হওয়ার কথা ছিল। একটি দুর্নীতি মামলায় তার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পর্যন্ত হতে পারত। তবে মাত্র দুই দিনের ব্যবধানে তার ভাগ্যের চাকা ঘুরে যায়। বিচারের মুখোমুখি হওয়ার পরিবর্তে নোবেল বিজয়ী, অর্থনীতিবিদ এবং সামাজিক উদ্যোক্তা ড. ইউনূস বাংলাদেশের সেনা-সমর্থিত অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান নিযুক্ত হন। তবে অস্থিতিশীল এই সময়ে বাংলাদেশকে নতুন করে গড়তে অনেক কাঠ-খড় পোড়াতে হবে তাকে। ড. ইউনূস যে প্রধান ৩টি চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হবেন তা নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ব্রিটিশ সাপ্তাহিক পত্রিকা দ্য ইকনোমিস্ট।


কয়েক সপ্তাহের ছাত্র আন্দোলনের পর প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে দেশ ছেড়ে ত্যাগ শেখ হাসিনা। আন্দোলন চলাকালীন রাষ্ট্রীয় বাহিনীর সহিংস দমন-পীড়ন শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ থেকে সরাতে পারেনি। ঢাকার রাস্তায় সশস্ত্র সেনা এবং পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছিল। আন্দোলনের পর শিক্ষার্থীরা এখন নিজ দায়িত্বে সড়তে ট্রাফিক পরিচালনা করছে এবং সংসদসহ লুটপাট করা ভবনগুলো পরিষ্কার করেছে। এক রাতের ব্যবধানে বছরের পর বছর ধরে চলা স্বৈরাচারী শাসন এখন পুনরায় গণতন্ত্রে রূপ নেবে আশা দেশবাসীর।


সেই আশা কি পূরণ হবে?


বাংলাদেশে সাংবিধানিক শৃঙ্খলা পুনরুদ্ধার করাটা অনেকাংশেই কঠিন হবে। এর একটি কারণ হতে পারে, শেখ হাসিনার আকস্মিক পলায়নের ফলে দেশে নেতৃত্বের যে শূন্যতা তৈরি হয়েছে সেটি পূরণ করা। এই শূন্যতা কে পূরণ করবেন তা এখনও স্পষ্ট নয়। তার আওয়ামী লীগ দল এখন কুখ্যাত হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। হাসিনার পদত্যাগের পরপরই কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এর নেত্রী খালেদা জিয়া। তবে ৭৮ বছর বয়সী এই নেত্রী বর্তমানে অসুস্থ এবং শেখ হাসিনার আমলে তার দল বিএনপি একেবারে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। ১৯৭১ সালে পাকিস্তানের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভের পর থেকে দেশের রাজনীতিতে আধিপত্য বিস্তার করেছিল বিএনপি।


সাবেক প্রধানমন্ত্রীর কর্তৃত্ববাদী শাসন বাংলাদেশে নতুন এবং আরও উদারপন্থি শক্তির উত্থানকে বাধা দিয়েছিল। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ইসলামপন্থি দলগুলো আরও শক্তিশালী হয়ে উঠেছে। তারাও এখন নেতৃত্বের এই শূন্যস্থান পূরণ করতে চাইতে পারে। তবে এই চ্যালেঞ্জটি আরও বড় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কেননা, বাংলাদেশ এখন চীন, ভারত এবং পশ্চিমাদের মধ্যে একটি ভূ-রাজনৈতিক রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে।


তবে প্রাথমিকভাবে আশা জাগানিয়া কিছু লক্ষণ দেখা গেছে। প্রধানমন্ত্রী ভারতে পালিয়ে যাওয়ার পর সংযম দেখিয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। ওইদিনই সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের প্রতিশ্রুতি দেন। পরের দিন ড. ইউনূসকে তত্ত্বাবধায়ক প্রশাসনের নেতৃত্ব দেওয়ার মাধ্যমে বিক্ষোভকারীদের দাবির কাছে মাথা নত করেন তিনি।


প্রথম চ্যালেঞ্জ


দ্য ইকোনমিস্টের মতে, ৮ আগস্ট প্রত্যাশিতভাবে শপথ নেওয়ার পর ড. ইউনূসের প্রথম কাজ হবে দেশে আবার শান্তিপূর্ণ রাজনীতি নিশ্চিত করা। দেশের সরকারি চাকরিতে কোটার সংস্কার চেয়ে শুরু হওয়া ছাত্র আন্দোলন সরকার পতনের আন্দোলনে রূপ নিয়েছিল। জুলাই মাসে শুরু হওয়া এই আন্দোলনে ছাত্ররা বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধাদের বংশধরদের সব ধরনের সরকারি চাকরিতে ৩০ শতাংশ কোটার বিরোধিতা করেছিলেন। প্রতিবাদকারীরা যুক্তি দেখিয়েছিলেন, এই সিস্টেম মূলত আওয়ামী লীগের সদস্যদেরই উপকারে এসেছে। বিক্ষোভকারীদের দমনের চেষ্টায় সহিংসতার আশ্রয় নিয়েছিল সরকার। এই আন্দোলনে শত শত মানুষকে হত্যা করা হয়েছে।


আন্দোলনের তোপের মুখে অবশেষে কোটা বাতিলে ঘোষণা দেয় আদালত। তবে তখন অনেক দেরী হয়ে গিয়েছিল। ইতোমধ্যেই কোটা সংস্কারের আন্দোলন বছরের পর বছর ধরে চলা শেখ হাসিনার স্বৈরাচারী শাসনে অতিষ্ট জনগণের হতাশাকে উস্কে দিয়েছিল। চলতি সপ্তাহের শুরুতে তার বাসভবনে ভাংচুর এবং পুলিশ স্টেশন ও আওয়ামী লীগ মন্ত্রীদের বাড়িতে হামলার ঘটনাগুলো প্রতিবাদকারীদের ক্ষোভেরই প্রতিফলন। অব্যাহত এই অশান্তির ঝুঁকির কথা উল্লেখ করে ৭ আগস্ট দেশবাসীকে শান্ত হওয়ার আহ্বান জানান ড. ইউনূস। দেশবাসীর ‍উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আপনার শান্ত থাকুন এবং আপনার চারপাশের মানুষদের শান্ত থাকতে সহযোগিতা করুন।’


দ্বিতীয় চ্যালেঞ্জ


ড. ইউনূসের পরবর্তী কাজ হবে বাংলাদেশের রাজনীতির পুনর্গঠন করা। আর এর জন্য শুধু দ্রুত নতুন নির্বাচনের আয়োজনই যথেষ্ট নয়। তাকে আরও বেশি কিছু করতে হবে। দেশের আদালত ও অন্যান্য গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে মেরামত করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রভাব কমাতে হবে। দীর্ঘদিন ধরেই সেগুলো অস্থিরতার উৎস হিসেবে কাজ করছে। একইসঙ্গে নতুন রাজনৈতিক দলগুলোকে সংগঠিত হওয়ার জন্য সময় ও সুযোগ দিতে হবে। এই পদক্ষেপগুলো ছাড়া একটি নতুন নির্বাচন সহজেই ইসলামপন্থি গোষ্ঠী বা একটি পুনর্গঠিত বিএনপির পক্ষে যেতে পারে। তবে এই শক্তিগুলোও দলকেন্দ্রিতায় ভুগছে।


তৃতীয় চ্যালেঞ্জ


ড. ইউনূসের জন্য তৃতীয় বড় চ্যালেঞ্জ হল একটি জটিল ভূ-রাজনৈতিক ক্ষেত্র তৈরি করা। বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় প্রতিবেশী দেশ ভারত সম্ভাব্য ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার সবচেয়ে বড় উৎস। আওয়ামী লীগের সঙ্গে দেশটির একটি ঘনিষ্ঠ ঐতিহাসিক সম্পর্ক রয়েছে। আওয়ামী লীগকে এই অঞ্চলে ইসলামপন্থিদের বিরুদ্ধে একটি ধর্মনিরপেক্ষ শক্তি হিসেবে দেখে ভারত। গত এক দশকে দক্ষিণ এশিয়ায় চীনের ক্রমবর্ধমান প্রভাব থেকে সতর্ক হয়ে ভারত শেখ হাসিনার সরকারের সঙ্গে বাণিজ্য, জ্বালানি ও সামরিক সম্পর্ক সম্প্রসারিত করেছে। নির্বাসনে যাওয়া ‘আয়রন লেডি’ হিসেবে পরিচিত শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিদ্বেষী বাংলাদেশী জনসাধারণের মুখোমুখি হয়েছে ভারত। এই জনতার অনেকেই তাকে আর সমর্থন করেন না। এছাড়া, নিজ দেশে ভারত বাংলাদেশে  অবস্থান করা আনুমানিক ১০ হাজার ভারতীয় নাগরিক এবং সেইসঙ্গে সেখান বসবাসকারী ১ কোটি ৪০ লাখ হিন্দু সংখ্যালঘুদের সুরক্ষায় সহায়তা করার জন্য চাপের মধ্যে রয়েছে।


প্রকৃতপক্ষে, আর্থিক ও অন্যান্য সহায়তার জন্য বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এবং যেকোনও উত্তরসূরি শেখ হাসিনার চেয়েও বেশি চীনের দিকে ঝুঁকতে পারে। এমন না যে তিনি চীনের প্রতি বিরূপ ছিলেন। তার শাসনামলে চীন বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বাণিজ্য অংশীদার, দ্বিতীয় বৃহত্তম বিদেশি বিনিয়োগকারী, তৃতীয় বৃহত্তম ঋণদাতা এবং সামরিক প্রযুক্তির প্রধান উৎস হয়ে ওঠে। তবুও, চীনের ওপর খুব বেশি নির্ভরশীল না হওয়ার জন্য ভারত ও অন্যান্য অংশীদারদের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলার বিষয়ে সতর্ক ছিলেন শেখ হাসিনা।


আরও খবর




শহীদ জিয়ার হাত ধরেই বিদেশে শ্রমিক রপ্তানি ও বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের যাত্রা শুরু - ফজলুল হক মিলন

লালমোহনে ‘লাস্ট ড্রেস বাই শওকত’ এর উদ্যোগে অসহায় ও দুস্থদের জন্য দাপন কাপনের সামগ্রী বিতরণ

মুরাদনগরে মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে এলাকাবাসীর মাদকবিরোধী র‌্যালী

মুরাদনগরে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়সহ বিভিন্ন অপরাধে ২০ মামলায় জরিমানা

চরফ্যাশনে ধর্ষণচেষ্টা: আত্মরক্ষায় যুবকের গোপনাঙ্গ কেটে দিলেন গৃহবধূ

তরুণকে পিটিয়ে হত্যা: সন্দেহভাজনদের বাড়িতে হামলা-অগ্নিসংযোগ

মনপুরায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ মনপুরা উপজেলা শাখার আহ্বায়ক কমিটি গঠন

হামলার অভিযোগে উত্তেজনা, আইনগত ব্যবস্থা চেয়েছে ভুক্তভোগী পরিবার

মানবতার উজ্জ্বল নক্ষত্র এ, বি, এম আরফানুল আলম প্রধান

জঙ্গল সলিমপুরকে অপরাধীদের আস্তানা হতে দেওয়া হবে না : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বজনদের মায়া ছেড়ে ব্যস্ত নগরীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা

ইভিএম এখন নির্বাচন কমিশনের ‘বোঝা’

সুন্দরবনে বেড়েছে হরিণশিকারি চক্রের দৌরাত্ম্য

ঈদ দযাত্রায় ৬ দিনে সড়কে ঝরল ১৩১ প্রাণ, রেল-নৌপথ উন্নয়নের তাগিদ বিশেষজ্ঞদের

আসাদ মহানগর পশ্চিম ছাত্রদলের সহ-সভাপতি পদে মনোনয়ন

অতীতের অন্ধকার পেরিয়ে আলোয় ফিরতে চান উত্তরধানঘড়ার প্রাক্তন সেনাসদস্য মিজানুর

নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে মিরপুর রিপোর্টার্স ক্লাবে ঢাকা বিভাগীয় তথ্য অফিসের প্রেস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত

গবেষণা ও প্রশাসনিক অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইকবাল ডুয়েটের নতুন ভিসি

ডুয়েট ছাত্রদল নেতার সিজিপিএ ৪.০০ অর্জন, ক্যাম্পাসজুড়ে প্রশংসা

গাইবান্ধায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান: ৫ মাদকসেবী গ্রেফতার

ফুলপুরে ট্রান্সফরমার চোর গ্রেফতার

দেবীগঞ্জের সন্তান রাসেল ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেলেন।

শরণখোলায় প্রাইভেট একাডেমির শিক্ষকের বিরুদ্ধে রাস্তায় বসে ছাত্রকে মারধরের অভিযোগ

গঙ্গাচড়ায় মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে ইউনিফর্ম বিতরণ

ধর্ষণ মামলায় চাঁদপুর সদর হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স গ্রেপ্তার

দক্ষিণ আইচায় ইয়াবাসহ জনতার হাতে আটক কথিত মাদক সম্রাট বাবুল

ডুয়েট উপাচার্যের সঙ্গে এনপিসিবিএল প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময়

সাতক্ষীরায় কোটি টাকার কোর্ট ফি জালিয়াতির মূলহোতা পিওন সিরাজুল গ্রেপ্তার

ফুলপুরে যুবলীগ নেতা প্রিন্স গ্রেফতার


এই সম্পর্কিত আরও খবর

জঙ্গল সলিমপুরকে অপরাধীদের আস্তানা হতে দেওয়া হবে না : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বজনদের মায়া ছেড়ে ব্যস্ত নগরীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা

ইভিএম এখন নির্বাচন কমিশনের ‘বোঝা’

ঈদ দযাত্রায় ৬ দিনে সড়কে ঝরল ১৩১ প্রাণ, রেল-নৌপথ উন্নয়নের তাগিদ বিশেষজ্ঞদের

চলতি বছর হজে ৩৭ বাংলাদেশির মৃত্যু, চিকিৎসাধীন ২৬

চীনা বাজার নির্ভরতায় ডুবছে চামড়া খাত

ফাঁকা রাজধানীতে বাড়ছে গাড়ির চলাচল

ছুটির শেষ দিনেও চিড়িয়াখানায় দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড়

শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ডে আদালতে আসামির বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ সাজা প্রার্থনা করা হবে: আইনমন্ত্রী

চাঁদপুরের অর্ধশত গ্রামে ঈদুল আজহা উদযাপন