
মেহেরপুরের গাংনীতে চাচার হাসুয়ার কোপে ভাতিজা নাহিদ হোসেন (২২) নিহত হওয়ার ঘটনায় ঘাতক চাচা লালন হোসেনকে আটক করেছে গাংনী থানা পুলিশ।মঙ্গলবার দুপুরে মেহেরপুরের আমঝুপি এলাকায় অভিযান চালিয়ে লালন হোসেনকে আটক করে পুলিশ।নিহত নাহিদ হোসেন উপজেলার তেঁতুলবাড়িয়া ভিটাপাড়া গ্রামের জাহিদ হোসেনের ছেলে। এবং আটক লালন হোসেন একই গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে।মঙ্গলবার বিকেলে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেন গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাদ্দিদ মোর্শেদ চৌধুরী।স্থানীয়রা জানান, গত রোববার রাতে গাংনী উপজেলার তেঁতুলবাড়ীয়া ভিটাপাড়া গ্রামের ফুরকান আলীর ছেলে তাজুল ইসলামের বাড়ি থেকে একটি সাইকেল চুরির চেষ্টা করার সময় লালন হোসেনকে নাহিদ হোসেন দেখে ফেলে।এনিয়ে দু'জনের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়।পরেরদিন সোমবার এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে আবারও দু'জনের মধ্যে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে লালন হোসেনের হাতে থাকা হাসুয়া দিয়ে নাহিদকে এলোপাতাড়ি কুপাতে থাকে।এতে নাহিদ গুরুতর রক্তাক্ত জখম হয়।স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে নিলে অবস্থা গুরুতর দেখে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করে। সেখান তার অবস্থা আরো খারাপ হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার একটি হাসপাতালে ভর্তি করে।সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ মঙ্গলবার সকালে তার মৃত্যু হয়।পুলিশ সূত্র জানায়, এই ঘটনার পর থেকেই লালন হোসেন এলাকা থেকে পালিয়ে আত্মগোপনে ছিল।তাকে ধরতে পুলিশ সাঁড়াশি অভিযান শুরু করে।পরে ৬ ঘণ্টার মধ্যে মেহেরপুরের আমঝুপি এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাদ্দিদ মোর্শেদ চৌধুরী জানান, এ ঘটনায় অভিযুক্ত লালন হোসেনকে দুপুরে আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।




























