
বাংলাদেশের কৃষি ও খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পে গত এক দশকে যে কয়েকটি প্রতিষ্ঠান উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে, তার মধ্যে মিম শরৎ গ্রুপ অন্যতম। প্রতিষ্ঠানটির এই অগ্রযাত্রার পেছনে নেতৃত্ব দিয়েছেন চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলহাজ মো. সোহাগ।
সম্প্রতি ‘গ্লোবাল হেলথ অ্যাওয়ার্ডস ২০২৬’-এ ফার্মাসিউটিক্যাল কোয়ালিটি অ্যাস্যুরেন্সে উৎকর্ষতার স্বীকৃতি পাওয়ার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও আলোচনায় এসেছে তাঁর নেতৃত্ব। তবে এই স্বীকৃতির পেছনে রয়েছে দীর্ঘদিনের পরিশ্রম, পরিকল্পনা ও মানসম্মত উৎপাদনের প্রতি অঙ্গীকার।
ব্যবসায়িক জীবনের শুরু থেকেই আলহাজ মো. সোহাগ বিশ্বাস করেছেন, টেকসই সাফল্যের জন্য শুধু মুনাফা নয়, প্রয়োজন আস্থা ও দায়বদ্ধতা। সেই ভাবনা থেকেই তিনি কৃষিপণ্য উৎপাদন, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং লজিস্টিকস খাতকে একই ছাতার নিচে এনে একটি সমন্বিত ব্যবসায়িক কাঠামো গড়ে তুলেছেন।
তাঁর নেতৃত্বে মিম শরৎ গ্রুপ উৎপাদন থেকে বাজারজাতকরণ পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে মান নিয়ন্ত্রণে গুরুত্ব দিয়েছে। আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, দক্ষ জনবল গড়ে তোলা এবং গ্রাহকসেবার মানোন্নয়নের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি দেশের বাজারে একটি শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে।
সহকর্মীদের মতে, আলহাজ মো. সোহাগের নেতৃত্বের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো স্বচ্ছতা ও নৈতিক ব্যবসায়িক চর্চা। তিনি কর্মী, গ্রাহক ও ব্যবসায়িক অংশীদারদের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি আস্থার সম্পর্ক গড়ে তোলাকে প্রতিষ্ঠানের সাফল্যের অন্যতম ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করেন।
ব্যবসায়িক কার্যক্রমের পাশাপাশি সামাজিক দায়বদ্ধতার বিষয়েও গুরুত্ব দেন তিনি। দেশের কৃষি খাতের উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং জাতীয় অর্থনীতিতে অবদান রাখার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে তাঁর প্রতিষ্ঠান।
বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের কৃষি ও খাদ্যপণ্যের সম্ভাবনা আরও বাড়াতে আধুনিকায়ন ও মানোন্নয়নের ওপর জোর দিচ্ছেন আলহাজ মো. সোহাগ। তাঁর বিশ্বাস, আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে উৎপাদন বাড়ানো গেলে বাংলাদেশ বৈশ্বিক বাজারে আরও শক্ত অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হবে।
কৃষিভিত্তিক শিল্পের বিকাশে অবদান, উদ্ভাবনী চিন্তা এবং গুণগত মানের প্রতি প্রতিশ্রুতির কারণে আলহাজ মো. সোহাগ আজ দেশের ব্যবসায়িক অঙ্গনে একটি পরিচিত নাম। তাঁর নেতৃত্বে মিম শরৎ গ্রুপের অগ্রযাত্রা দেশের কৃষি ও খাদ্যশিল্পের সম্ভাবনাকেও নতুন মাত্রা দিচ্ছে।




























