
বিদ্যুৎ চন্দ্র বর্মন - স্টাফ রিপোর্টারঃ
অরাজনৈতিক সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন "ভয়েস অব তারাপুর"সংগঠনটি গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ৩ নং তারাপুর কে নিয়ে
মানুষ মানুষের জন্য, যদি হই রক্তদাতা, জয় করবো মানবতা এই স্লোগান কে সামনে রেখে স্বেচ্ছাশ্রম বা স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের কার্যক্রম সাধারণত স্বার্থহীন কাজকে বোঝায় যা একজন ব্যক্তি বা গোষ্ঠী কোনো আর্থিক বা সামাজিক লাভের জন্য করে না, "একজন ব্যক্তি বা দল বা সংস্থার সুবিধাৰ্থে করে"। স্বেচ্ছাসেবী কাজ দক্ষতা বিকাশের জন্যও অতি পরিচিত এবং প্রায়ই সৎকর্ম প্রচার অথবা মানুষের জীবনমান উন্নত করার উদ্দেশ্যে করা হয়। বর্তমানে বিভিন্ন পর্যায়ে এসব সংগঠনের কার্যক্রম বৃদ্ধি পেয়েছে। এছাড়াও "ভয়েস অব তারাপুর" সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের কার্যক্রমও ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে।
এই কার্যক্রমের দিক থেকে পিছিয়ে নেই "ভয়েস অব তারাপুর " এর লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য । এর মধ্যে "ভয়েস অব তারাপুর" এর অন্যতম লক্ষ্য রক্তদান । নলকূপ অজুখানা হুইলচেয়ার সেলাই মেশিন ও সমাজের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে, মুমূর্ষু রোগীর পরিবারের পাশে দাঁড়ানো,ব্লাড জোগাড়, আর্তমানবতার সেবায়, চারিত্রিক উন্নয়ন, নেতৃত্বের গুণাবলী অর্জনসহ বিভিন্ন লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে এই সংগঠনটি।
"ভয়েস অব তারাপুর" এর স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক বিদ্যুৎ চন্দ্র বর্মন বলেন, স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করা আমার স্বপ্ন। আমি চাই সমাজকে নতুন কিছু উপহার দিতে। আমাদের দেশে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন দিনদিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। সমাজের তরুণরা স্বেচ্ছাসেবী কাজে এগিয়ে আসছে। তরুণরাই পারে সমাজকে বদলে দিতে।
অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে "ভয়েস অব তারাপুর" এর সকল সদস্যরা সেচ্ছায় সেচ্ছাসেবীদের নিয়ে " সেচ্ছায় রক্তদান সংগঠনটি" প্রতিষ্ঠা করেন। আমাদের সেচ্ছাসেবী সংগঠনটি কাজ করে যাচ্ছে। দেশের অনেক স্থান বন্যায় প্লাবিত হয়। বন্যাকবলিত মানুষের পাশে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনটি। তাছাড়াও বিভিন্ন সমাজসেবামূলক কার্যক্রমেও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনটির উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। তন্মধ্যে, মুমূর্ষু রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহ,অসহায় মানুষের চিকিৎসা সেবা, ছিন্নমূল শিশুদের শিক্ষাদান, বয়স্কদের শিক্ষাদান, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ক্যাম্পেইন এবং শীত বস্ত্র বিতরণ, ফ্রী চিকিৎসা সেবা ও বিনামূল্যে ঔষধ প্রদান উল্লেখযোগ্য।
"ভয়েস অব তারাপুর" স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন'র প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মোঃ দেলোয়ার হোসাইন শাকিল বলেন, ‘কীভাবে মানুষের জন্য কাজ করব, অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াবো, স্কুলগামী নয় এমন শিশুদের স্কুলগামী করবো তাদের জন্য স্কুল প্রতিষ্ঠা করবো স্বপ্ন দেখি, শীতকালীন সময়ে অসহায়দের পাশে শীতবস্ত্র বিতরণ করবো।খবরের কাগজ খুললেই চোখে পরে অনেক স্থানে বাল্যবিবাহ হচ্ছে। অনেক শিশু ও তরুণী ধর্ষণের শিকার হচ্ছে। এসব বন্ধের জন্য মানুষকে সচেতন করার স্বপ্ন দেখি। আমার বিশ্বাস সমাজের তরুণরা এগিয়ে আসলে এসব বন্ধ করা সম্ভব হবে।এভাবেই একদিন সফলতা আসবে এবং গড়ে উঠবে সুন্দর আগামী। আমরা শুধু তারাপুর এই নয় সারা বাংলাদেশে এই সংগঠনটি আলো ছড়িয়ে পড়বে সবার মাঝে এবং আমাদের সাথে সেচ্ছাসেবী হয়ে কাজ করতে চাইলে বাংলাদেশের নাগরিক হওয়ার পাশাপাশি সৎ যোগ্য ও স্বেচ্ছায় কাজ করার মন মানসিকতা থাকতে হবে।
এছাড়াও "ভয়েস অব তারাপুর" একটি অরাজনৈতিক সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন যা পুরো বাংলাদেশে হাঁটি হাঁটি পা পা অনেক সুনামের সাথে এগিয়ে চলছে বলে জানা গেছে।





























