
মোঃ রাসেল রানা মেলান্দহ জামালপুর
জামালপুর মেলান্দহ উপজেলার ৭ নং চরবানী পাকুরিয়ার ইউনিয়নের ১,২,৩ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা আসনের মেম্বার ফরিদা বেগম এর বিরুদ্ধে সাবমার্চ নিজ পরিবার ভিত্তিক নামে বেনামে , মৃত্য ব্যক্তির নামেও তালিকা তৈরি করে লাইন করে দিয়ে রেখেছেন,এ বিষয়ে অভিযোগ উঠেছে।
নিজ পরিবারের মাঝে সেই সাথে অন্যান ভোক্ত ভোগীদের মাঝে, এমন টাই অভিযোগ উঠেছে বলে জানিয়েছেন ভোক্তভোগিরা, এক জন ইউপি সদস্য হয়ে কি ভাবে নিজ পরিবারের নামে এতো গুলো সাবমার্চের লাইন করে রাখে।
১০ হাজার ৫০০ টাকার সরকারি ফিস ১০টি পরিবারের মাঝে এই প্রতিস্থাপনের লাইন দেয়ার কথা থাকলেও ৭নং চার বাণী পাকুরিয়ার ইউপি মেম্বার ফরিদা বেগম তার নিজ বাপের বাড়িতে ভাই ভাতিজা,এবং মৃত বাবার নামেও এই সাবমার্চের ৯ টি লাইন করে রেখেছেন।
এ বিষয়ে ফরিদা বেগমের সাথে কথা বললে তিনি বলেন, আমার জন্য আমি একাই সাবমার্চের জন্য ১০,৫০০( দশ হাজার পাচশত) টাকা দিয়ে এনেছি, এলাকার অন্যান্য যারা ছিল তাদেরকে আমি বলছি তোমরা কিছু করে টাকা দিয়ে,লাইন করে নাও কিন্তু ওনারা টাকা দিয়ে নিতে চান না এবং কি বিদ্যুৎ বিল দিবেন না বলে জানিয়েছেন। সেক্ষেত্রে আমি দশটি লাইন থেকে একটি লাইন ফেরত দিয়ে নয়টি লাইন আমার ভাই বাতিজা এবং ছেলের নামে করে রেখেছি।
যাদেরকে এই সাবমার্চ থেকে লাইন দিয়েছেন তাদের নামের লিস্ট চাইলে তিনি লিষ্ট দিতে রাজি নন, এবং কি তিনি বলেন,আপনারা চেয়ারম্যানের সাহেবের সাথে কথা বলেন, এ বিষয়ে তিনিই ভালো জানেন।
সাবমার্স নেওয়ার ভুক্তভোগী জানান, সাবমার্স লাইন আমাদের দেওয়ার জন্য আমাদের কাছে ৬০০০ টাকা চেয়েছিল আমরা তিন হাজার টাকা দিয়েছিলাম বাকি টাকা না দেওয়ায় আমাদেরকে ৩০০০ টাকা ফেরত দিয়েদেন,এবং কি আমাদেরকে আর লাইন দিবেনা বলে জানিয়ে দেন। এখন আমাদের প্রয়োজন থাকা সত্ত্বেও আমরা নিতে পারছি না ফরিদা বেগম তার নিজ পরিবার এবং ভাইদের নামে ৯টি সাবমার্চ লাইন নিজের বাবার বাড়িতে করে রাখেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ৭ নং চরবানী পাকুরিয়া ইউপি চেয়ারম্যান জনাব শাহাদাত হোসেন ভুট্ট, তিনি বলেন ফরিদা মেম্বার ১০৫০০ টাকা জমা দিয়ে একটি সাবমার্চ বসিয়েছে,সেখান থেকে দশটি বাড়িতে লাইন দেওয়ার কথা আছে,প্রতিটি বাড়িতে একটি করে লাইন দেওয়ার কথা কেউ যদি নিতে চায় সে নিতে পারবে, কেউ যদি না নেয় তাকে তো আর জোর করে দিতে পারবে না
একই পরিবারে দশটা নেওয়ার নিয়ম আছে কিনা এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, হ্যাঁ নিতে পারবে যদি খানা আলাদা থাকে।
মেলান্দহ উপ- সহকারী প্রকৌশলী (জনস্বাস্থ্য) মোঃ জাকির হোসেন এ বিষয়ে মুঠোফোন কথা হলে, সাবমার্চের সরকারি ফি ১০৫০০ টাকা একটি সাবমার্চ প্রতিস্থাপনের জন্য, ওখান থেকে ১০টি বাড়িতে লাইন দিতে পারবে তবে প্রতি লাইনের জন্য ১ হাজার টাকা এবং বিদ্যুৎ বিল সমান ভাবে দিবে হবে। কেউ যদি লাইন নেওয়ার জন্য ৫০০০ বা ৬০০০ টাকা দাবি করেন,এ বিষয়ে আমরা অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।




































