
মনির হোসেন সুমন:
নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন আনারস প্রতীকের মাকসুদ হোসেন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে মাইক প্রতীকের মো. আলমগীর এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ফুটবল প্রতীকের ছালিমা শান্তা। এদের মধ্যে ছালিমা শান্তা পুনরায় নির্বাচিত হয়েছেন। বাকী দু’জন এবার প্রথম নির্বাচিত হলেন।
রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্বপ্রাপ্ত জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা কাজী ইস্তাফিজুল হক বআকন্দ বুধবার সাড়ে নয়টার দিকে বন্দর উপজেলা পরিষদের মিলনায়তনে এ ফলাফল ঘোষণা করেন।
এর আগে সকাল আটটা থেকে বিকেল চারটা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে উপজেলার ৫৪টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ চলে। বিচ্ছিন্ন কয়েকটি ঘটনা ছাড়া শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়।
ফলাফল অনুযায়ী, মাকসুদ হোসেন ২৯ হাজার ৮৭৩ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বন্দর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি দোয়াত-কলম প্রতীকের এমএ রশিদ ১৪ হাজার ৮৩৮ ভোট পেয়েছেন। তিনি গতবার বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় চেয়ারম্যান নির্বাচন হন।
এছাড়া, দু’বারের সাবেক চেয়ারম্যান ও বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি (বহিষ্কৃত) চিংড়ি প্রতীকের প্রার্থী আতাউর রহমান মুকুল ১২ হাজার ৬২২ ভোট এবং মাকসুদের ছেলে হেলিকপ্টার প্রতীকের প্রার্থী মাহমুুুুদুল হাসান ২৫৫ ভোট পেয়েছেন।
ভাইস চেয়ারম্যান পদে মো. আলমগীর ১৭ হাজার ৬০৬ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী গত দু’বারের ভাইস চেয়ারম্যান সানাউল্লাহ সানু ১৭ হাজার ১ ভোট পেয়েছেন। অপর দুই প্রার্থী, টিউবওয়েল প্রতীকের শাহিদুল ইসলাম জুয়েল ১৩ হাজার ৪২৮ ভোট এবং তালা প্রতীকের মোশাঈদ রহমান ৮ হাজার ৪০৬ ভোট পেয়েছেন।
মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী ছালিমা হোসেন পেয়েছেন ২৯ হাজার ৪৫৬ ভোট পেয়ে পুনরায় নির্বাচিত হয়েছেন। পরাজিত কলস প্রতীকের প্রার্থী মাহমুদা আক্তার ২৬ হাজার ২৮৪ ভোট পেয়েছেন।
এ উপজেলায় ৪৫ দশমিক ৮৬ শতাংশ ভোট পড়েছে জানিয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তা জানান, উপজেলার ৫৪টি কেন্দ্রে মোট ভোটার ছিলেন ১ লাখ ৩১ হাজার ৫৬৪ জন।





























