
মোঃ কাওছার আহম্মেদ, গাইবান্ধা ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যানকে পাওয়া যাবে কি না এ নিয়ে একসময় অনেকের মধ্যেই ছিল অনিশ্চয়তা। তবে গাইবান্ধার ১০ নম্বর গিদারী ইউনিয়ন পরিষদে দেখা যাচ্ছে ভিন্ন চিত্র। চেয়ারম্যান মো. হারুনুর রশিদ ইদু নিয়মিত পরিষদে উপস্থিত থেকে সাধারণ মানুষের কথা শুনছেন এবং প্রয়োজনীয় সেবা দিতে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে সমন্বয় করছেন। ফলে বিভিন্ন প্রয়োজনে পরিষদে আসা মানুষের মধ্যে দেখা দিয়েছে স্বস্তি।স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদ, বিভিন্ন প্রত্যয়নপত্রসহ ইউনিয়ন পরিষদের নানা সেবা নিতে প্রতিদিনই পরিষদে আসছেন নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ। চেয়ারম্যানকে সরাসরি কাছে পেয়ে অনেকেই তাদের সমস্যা ও প্রয়োজনের কথা তুলে ধরছেন। একজন সেবা প্রত্যাশী বলেন, “চেয়ারম্যানকে পরিষদে নিয়মিত পাওয়া যাচ্ছে। নিজের প্রয়োজনের কথা সরাসরি বলতে পারছি। তিনি ধৈর্য ধরে কথা শুনে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করছেন। এতে আমাদের ভোগান্তি অনেকটাই কমেছে।” আরেক সেবা প্রত্যাশীর ভাষ্য, “জনপ্রতিনিধিকে কাছে পাওয়া সাধারণ মানুষের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কোনো সমস্যা হলে পরিষদে এসে চেয়ারম্যানের সঙ্গে সরাসরি কথা বলা যাচ্ছে। আমরা চাই, এই ধারাবাহিকতা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকুক।” স্থানীয় আরেক বাসিন্দা বলেন, “মানুষ চায় তার নির্বাচিত প্রতিনিধি মানুষের পাশে থাকুক। চেয়ারম্যান নিয়মিত পরিষদে বসলে সাধারণ মানুষ সহজেই যোগাযোগের সুযোগ পায়। এতে পরিষদের প্রতি মানুষের আস্থাও বাড়ে।” চেয়ারম্যানের নিয়মিত উপস্থিতি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ইতিবাচক আলোচনা রয়েছে বলেও জানান কয়েকজন সেবা প্রত্যাশী। তাদের মতে, ইউনিয়ন পরিষদ শুধু প্রশাসনিক কার্যক্রমের জায়গা নয়; এটি সাধারণ মানুষের নানা সমস্যা ও প্রত্যাশা নিয়ে জনপ্রতিনিধির কাছে যাওয়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। এ বিষয়ে ১০ নম্বর গিদারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. হারুনুর রশিদ ইদু বলেন, “আমি জনগণের ভোটে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি। জনগণের সেবা করাই আমার প্রধান দায়িত্ব। তাই পরিষদে নিয়মিত উপস্থিত থেকে মানুষের কথা শোনা এবং তাদের প্রয়োজনীয় সেবা নিশ্চিত করার চেষ্টা করছি।” তিনি বলেন, “কোনো সেবা প্রত্যাশী যেন অযথা হয়রানি বা ভোগান্তির শিকার না হন, সেটি আমি গুরুত্বের সঙ্গে দেখি। পরিষদের কার্যক্রমে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও আন্তরিকতা বজায় রেখে জনগণের সেবা করতে চাই।” চেয়ারম্যান আরও বলেন, “গিদারী ইউনিয়নের মানুষের আস্থা ও সহযোগিতা আমার সবচেয়ে বড় শক্তি। জনগণের পাশে থেকে ইউনিয়ন পরিষদকে আরও জনবান্ধব ও কার্যকর প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে চাই। মানুষের প্রত্যাশা পূরণে আমার পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা অব্যাহত থাকবে।” স্থানীয়দের প্রত্যাশা, চেয়ারম্যানের নিয়মিত উপস্থিতি ও সরাসরি জনসম্পৃক্ততার এ ধারা অব্যাহত থাকলে ইউনিয়ন পরিষদের সেবার মান আরও উন্নত হবে। একই সঙ্গে সাধারণ মানুষের সঙ্গে জনপ্রতিনিধির দূরত্ব কমে বাড়বে পারস্পরিক আস্থা ও যোগাযোগ।




























