
মেহেদী হাসান
সম্প্রতি বিভিন্ন চক্র অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসার মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকারের কোটি কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে আসছে। গোয়েন্দা সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-৩ এর একটি আভিযানিক দল জানতে পারে যে, কতিপয় অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসায়ী ঢাকা মহানগরীর নয়াপল্টন এলাকায় একটি বাড়িতে বিটিআরসির অনুমোদনবিহীন অবৈধ ভিওআইপি সরঞ্জামাদি স্থাপনের মাধ্যমে বাংলাদেশ হতে বর্হিবিশ্বের সাথে টেলিযোগাযোগের ব্যবসা করে আসছে। এরই প্রেক্ষিতে র্যাব-৩ এর একটি আভিযানিক দল গত ১০/০৬/২০২৪ তারিখ সকাল নয় ঘটিকার সময় পল্টন থানাধীন একটি বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করে বিটিআরসির অনুমোদনবিহীন অবৈধ ভিওআইপি সরঞ্জামাদিসহ আসামি ১। মোঃ সাইফুল ইসলাম (৪০)কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। উল্লেখ্য, তার দেওয়া তথ্য মতে ঢাকা মহানগরীর নয়াপল্টন আবাসিক ভবন হতে ৩৬টি সীমবক্স, ০৯টি ল্যাপটপ, ১২টি রাউটার, মডেম ০৮টি, পেনড্রাইভ ১২টি, প্রায় ৫০০০০ বিভিন্ন কোম্পানীর সীমকার্ড এবং ০৪ রাউন্ড গুলিসহ গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। আসামি উদ্ধারকৃত ও জব্দকৃত সরঞ্জামাদির বৈধ কোন কাগজপত্র উপস্থাপন করতে পারেননি।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, ধৃত আসামি গত তিন বছর যাবৎ অবৈধভাবে ভিওআইপি সরঞ্জামাদি দেশের বিভিন্ন স্থানে স্থাপন করে বর্হিবিশ্বের সাথে টেলিযোগাযোগ ব্যবসার মাধ্যমে সরকারকে কোটি কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে সর্বপরি অবৈধ উপার্জিত অর্থ বেআইনিভাবে সংরক্ষণ করার কারণে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ আইন ২০০১ (সংশোধনী ২০১০) এর ৩৫(২)/৫৫(৭)/৭৩ ধারায় অপরাধ করে আসছে। ধৃত আসামির সাথে অবৈধভাবে ভিওআইপি ব্যবসার সাথে জরিত অজ্ঞাতনামা পলাতক আসামিদের আইনের আওতায় নিয়ে আসার জন্য র্যাবের গোয়েন্দা নজরদারি অব্যহত রয়েছে।
জব্দকৃত ভিওআইপি সরঞ্জামাদিসহ ধৃত আসামির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন বলে আলোকিত সকাল এর প্রতিবেদকে জানান লেঃ কর্নেল মোঃ ফিরোজ কবীর, বিপিএম, পিপিএম, পিএসসি অধিনায়ক, র্যাব-৩।



































