
মোঃ কাওছার আহম্মেদ, গাইবান্ধা :
গাইবান্ধার সাঘাটায় পথরোধ করে গলায় ধারালো রামদা ঠেকিয়ে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার পর এক ব্যক্তির কাছ থেকে ৭৯ হাজার টাকা ও একটি মোটরসাইকেল ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ছয়জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৪-৫ জনকে আসামি করে সাঘাটা থানায় লিখিত এজাহার দিয়েছেন মো. আনিছুর রহমান চৌধুরী।
এজাহারে অভিযুক্তরা হলেন মো. রাজিব হোসেন খান ওরফে সাগর, মো. ছামছুল আলম ওরফে মিল্টন, মো. তৌহিদুল ইসলাম, মো. আব্দুল হান্নান, মো. মিন্টু মিয়া ও মো. ফয়সাল।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ৩০ সেপ্টেম্বর সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে সাঘাটা বাজার থেকে ৭৯ হাজার টাকা ঋণ নিয়ে মোটরসাইকেলে করে বাড়ির দিকে যাচ্ছিলেন আনিছুর রহমান। পথে উপজেলার ঘুড়িদহ ইউনিয়নের যাদুরতাইড় গ্রামের চৌধুরীপাড়া গেটের সামনে পৌঁছালে কয়েকজন তার গতিরোধ করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এজাহারে আনিছুর রহমান অভিযোগ করেন, তার পথরোধ করে অভিযুক্তরা লাঠি, লোহার রড, ধারালো রামদা ও চাপাতি নিয়ে তাকে ঘিরে ফেলেন। একপর্যায়ে তার গলায় রামদা ঠেকিয়ে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। এরপর তার পকেটে থাকা ৭৯ হাজার টাকা নিয়ে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।
শুধু টাকা নয়, তাকে মোটরসাইকেল থেকে নামিয়ে মারধর করে মোটরসাইকেলটিও নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। ছিনিয়ে নেওয়া মোটরসাইকেলটির আনুমানিক মূল্য ১ লাখ ৫৬ হাজার ৫০০ টাকা বলে দাবি করেছেন বাদী। এ হিসাবে নগদ টাকা ও মোটরসাইকেল মিলিয়ে অভিযোগে মোট ২ লাখ ৩৫ হাজার ৫০০ টাকার ক্ষতির কথা বলা হয়েছে।
ঘটনার অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত ছয়জনের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করে তাদের বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হয়। তবে মো. রাজিব হোসেন খান ওরফে সাগর, মো. ছামছুল আলম ওরফে মিল্টন, মো. তৌহিদুল ইসলাম, মো. আব্দুল হান্নান, মো. মিন্টু মিয়া ও মো. ফয়সাল কেউই এ বিষয়ে বক্তব্য দিতে রাজি হননি।
এ বিষয়ে সাঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দুরুল হুদা বলেন, “অভিযোগটি থানায় এসেছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তদন্তে ঘটনার সত্যতা ও কারও সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে অভিযোগে উল্লেখ করা টাকা ও মোটরসাইকেল উদ্ধারের বিষয়টিও গুরুত্ব দিয়ে দেখা হবে।”





























