
গাজী হাবিব, সাতক্ষীরা: সাতক্ষীরায় ছাত্রলীগ নেতা ও তার বাবর নেতৃত্বে হওয়া হামলায় জেলা ছাত্রদলের সহ সভাপতি মনজুরুল আলম বাপ্পীসহ অন্তত ১০ নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।শনিবার (৮আগস্ট) দিনগত রাত সাড়ে ৯টার দিকে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ঘোনা ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে। আহতরা সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।আহতদের মধ্যে রয়েছেন- ঘোনা গ্রামের বকুল হায়দারের ছেলে জেলা ছাত্রদলের সিনিয়র সহ সভাপতি মনজুরুল আলম বাপ্পী, তার ভাই রাজিব হোসেন, আব্দুর রশিদের ছেলে আব্দুর রকিব, বকুল হায়দার, নজরুল ইসলামের ছেলে জাহিদ হাসান, ঝিটকি গ্রামের ওয়াজেদ আলীর ছেলে ছাত্রদল নেতা আব্দুস সালাম, রইচপুর গ্রামের আরশাদ আলীর ছেলে তহিদুল হোসেন ও শওকত হোসেনের ছেলে মাহমুদুল হাসান।অভিযুক্ত নাজমুল ইসলাম ঘোনা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি।হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মনজুরুল আলম বাপ্পী বলেন, শনিবার রাত ৯টার দিকে ঘোনা ইউনিয়ন ছাত্রলীগ নেতা নাজমুলের একটি কল রেকর্ড তাদের হাতে আসে। ওই রেকর্ডে ছাত্রদলের এক নেতা ও বিএনপিকে নিয়ে অশালীন ভাষায় গালিগালাজ করা হয়। বিষয়টি জানতে চাইলে ঘোনা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি জাহিদ হোসেনকে নাজমুল আটকে রাখেন। খবর পেয়ে কয়েকজন নেতাকর্মীকে নিয়ে সেখানে গেলে স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা তাদের ওপর হামলা চালান।বাপ্পী আরো জানান, হামলাকারীরা বাঁশের লাঠি ও লোহার রড দিয়ে তাদের মারধর করে। এতে তিনিসহ ১০ জন আহত হয়েছেন।আহত ছাত্রদল নেতা আব্দুস সালাম বলেন, ঘোনা ইউনিয়নের একটি বৈঠক শেষে বের হওয়ার পর তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয়। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে।স্থানীয়রা জানান, কল রেকর্ডকে কেন্দ্র করে ঘোনা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি জাহিদ হোসেনকে আটকে রাখার খবর পেয়ে জেলা ছাত্রদলের সিনিয়র সহ সভাপতি মনজুরুল আলম বাপ্পীসহ ১০-১৫ জন নেতাকর্মী সেখানে যায়। পরে ঘোনা ইউনিয়ন ছাত্রলীগ নেতা নাজমুল হাসান ও তার বাবা লাল্টু মেম্বারের নেতৃত্বে তাদের ওপর হামলা হয়।তবে এ বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।এদিকে, ওই হামলার পর মধ্যরাতে সাতক্ষীরা শহরে বিক্ষোভ করে জেলা ছাত্রদল। এসময় তারা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দেয়।সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আবু রায়হান বলেন, স্থানীয় জামায়াতের শেল্টারে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের ওপর ছাত্রলীগ হামলা চালিয়েছে। তিনি ঘটনার নিন্দা জানিয়ে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন।সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাসুদুর রহমান বলেন, খবর পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। হামলার ঘটনায় দুজনকে আটক করা হয়েছে।





























