
কেশবপুর প্রতিনিধি (যশোর)
যশোরের কেশবপুরে চিংড়া গ্রামে উদ্ধারকৃত চোরাই মোটরসাইকেল ও চোরকে গ্রেফতার করতে বিলম্ব করায় পুলিশের সাথে বাকবিতন্ডায় জড়ায় স্থানীয়রা।এক পর্যায়ে পুলিশের উপর হামলা চালায় তারা। ঘটনাটি ঘটেছে যশোরের কেশবপুর উপজেলার চিংড়া গ্রামের আব্দুর রশিদের বাড়িতে।পুলিশের উপর হামলার ঘটনার পর কঠোর অবস্থানে রয়েছে থানা পুলিশ।
শুক্রবার (১৯ মে) ভোররাতে উপজেলার হাসানপুর গ্রামের ব্যবসায়ী আসাদুজ্জামান স্বপনের ছেলে আশরাফুজ্জামান রুমির বাড়ির গ্রিল কেটে দুর্বৃত্তরা একটি এফজেড মোটরসাইকেল চুরি করে নিয়ে যায়। চুরির ঘটনার মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যে স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতা চিংড়া পুলিশ ক্যাম্প চিংড়া গ্রামের মৃত মোছাব্দীর ছেলে আব্দুর রশীদের (৪৫) ঘর থেকে চোরাই মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করা হয়। এ সময় আটক করা হয় আন্ত:জেলা চোর চক্রের সদস্য আব্দুর রশীদকে।
জানা যায়,শুক্রবার সকালে চিংড়া পুলিশ ফাঁড়ির এ এস আই কামরুজ্জামান ও নজরুল ইসলাম উদ্ধারকৃত চোরাই মোটরসাইকেল ও একজন চোরকে আটক করার পর জড়িত বাদীদের আটকের বিষয়ে কথা বলার সময় বিতর্কে জড়ায় মনিরুজ্জামান মিলনের ছেলে শান্ত ,এক পর্যায়ে যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা পুলিশের উপর হামলা করে বসে। হাসানপুর ইউনিয়ন বিএনপি নেতা মাহাবুর মল্লিক,মনিরুজ্জামান মিলন,যুবদল নেতা সবুজ হোসেন, ছাত্রদল নেতা আশরাফুজ্জামান রুমি,শান্ত ইসলাম, আমিনুর রহমান ও সাইফুলের নেতৃত্বে বিএনপির নেতাকর্মীরা পুলিশের উপর হামলা করে। পুলিশের উপর হামলার ঘটনার সংবাদ পেয়ে কেশবপুর থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছালে মব সৃষ্টিকারী বিএনপি নেতাকর্মীরা পালিয়ে যায়।
আশরাফুজ্জামান রুমি ও শান্ত বলেন,পুলিশ আসামিদেরকে আটক না করে পালাতে সহযোগিতা করেছে।এটা আমরা পুলিশকে জানাতে গেলে তারা আমাদের আঘাত করে।
উক্ত ব্যাপারে কেশবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোসাম্মদ রোকসানা খাতুন জানান,মব সৃষ্টি করে পুলিশের উপর হামলাকারী সে, যে দলেরই হোক না কেন তাদেরকে আইনের আওতায় আনা হবে।




























