
মোহাম্মদ আবদুর রহিম, কুমিল্লা দক্ষিণঃ
কুমিল্লার লাকসামে গভীর রাতে বসতঘরে ঢুকে এক নারীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করার মামলার আসামি দিদার হোসেন (৩০) গ্রেপ্তার হয়েছেন।
পুলিশের ভাষ্য, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তাঁর অবস্থান শনাক্ত করার পর অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) রাত ১১টার দিকে লাকসাম পৌরসভার বাইপাস এলাকা থেকে দিদারকে গ্রেপ্তার করে লাকসাম থানা পুলিশ। তিনি উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের সাতঘর ইছাপুরা গ্রামের নুরু মিয়ার ছেলে।
পুলিশের সাব ইন্সপেক্টর মাঈন উদ্দিন আদালতে দেওয়া প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন, গত ২৯ আগস্ট ভোরে ওই নারীর ঘরে ঢুকে তাঁকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে একাধিক আঘাত করা হয়।
এতে তাঁর মুখ, গলা, বুক, পেট, পিঠ ও পায়ে গুরুতর জখম হয়।
এ সময় তাঁর সাত বছর বয়সী মেয়েকেও লাথি মেরে আহত করার অভিযোগ রয়েছে।
পরে স্বজনেরা তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন।
এ ঘটনায় দিদারসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে লাকসাম থানায় মামলা হয়।
এ ছাড়া তাঁর বিরুদ্ধে মারধর করে ৫০ হাজার টাকা ও একটি মোটরসাইকেল নিয়ে যাওয়ার অভিযোগে আরেকটি মামলাও রয়েছে।
ওই মামলার এজাহার অনুযায়ী, ৩১ মে ইছাপুরা হাইস্কুলের সামনে এক ব্যক্তির পথরোধ করে মারধর করা হয়।
পরে তাঁর কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা ও একটি মোটরসাইকেল নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ করা হয়। একই রাতে তাঁর বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগও রয়েছে।
পুলিশের নথি অনুযায়ী, দিদারের বিরুদ্ধে ২০২১ ও ২০২৪ সালের আরও দুটি মামলা রয়েছে।
লাকসাম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কাজী কামরুন নাহার লাইলী বলেন, মামলার আসামিকে গ্রেপ্তারে পুলিশ তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তাঁর অবস্থান শনাক্ত করে।
পরে অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে থাকা মামলাগুলোও যাচাই করা হচ্ছে।
গ্রেপ্তারের পর তাঁকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তার এবং ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের বিষয়ে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।




























