
মোঃ হাসানুজ্জামান গাংনী মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার ৯৬ টি ল্যান্ড মাইন উদ্ধার করেছে সেনাবাহিনীর বোমা ডিসপোজাল টিম। সোমবার দুপুরে উপজেলার বেতবাড়িয়া বাজারের পাশের একটি পতিত জমি থেকে এগুলো উদ্ধার করা হয়। দুপুরে যশোর ক্যান্টনমেন্ট থেকে ১৯ সদস্যের একটি টিম পৌঁছায় ক্রাইমসিনে।এর আগেই জায়গাটি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কর্তৃক ঘিরে রাখে জমিটি।পরে শুরু হয় মাইন উদ্ধারের কার্যক্রম। মাটি খুঁড়ে একে একে ৭৯টি মানব বিধ্বংস এবং ১৭ টি ট্যাংক বিধ্বংসী মাইন উদ্ধার করা হয়। বোম ডিসপোজাল ইউনিটের সদস্যরা এসে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেছেন মাইনগুলো।পরে গ্রাম থেকে দূরে মাঠের ধারে একটি বাগানের মধ্যে এগুলো ধ্বংসের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হয়।পরে বিস্ফোরণগুলো ধ্বংস করা হয়।সেনাবাহিনীর দলটির নেতৃত্ব দেন মেজর তরিকুল ইসলাম। স্থানীয় আজগর আলী বলেন, মাইন পড়ে থাকা স্থান চারিদিক দিয়ে প্রশাসনের লোকজন বাধা হয়েছে ক্রাইম সিনের ফিতা দিয়ে ঘিরে রেখেছিল। বিজিবি ও পুলিশ জায়গাটি কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে রেখেছিল৷ লোকমান হোসেন বলেন, এই জমিতে এতোগুলো মাইন কিভাবে এলো।এলাকার অন্য কোথাও এমন কোন বিস্ফোরক দ্রব্য রয়েছে কিনা তা নিয়েও এখন সন্দেহ করছে এলাকাবাসী। মোঃ মিঠুন আলী বলেন, বিস্ফোরক গুলো নিয়ে প্রথমে মানুষ অবহেলা করেছিল। পরে যখন এগুলো সেনাবাহিনী নিয়ে একনি নির্জন এলাকায় গিয়ে বিস্ফোরণ ঘটায় তখন পুরো এলাকা কেঁপে ওটে।লোকজনের ভেতর আতঙ্ক তৈরি হয়।গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মুহাদ্দিদ মোর্শেদ চৌধুরী বলেন, আমরা বিষয়টি জানার পরেই ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করি।পরে সেনাবাহিনীর ডিসপোজাল টিম এসে অত্যন্ত সতর্কতার সাথে এগুলো উদ্ধার করে।পরে একটি নির্জন এলাকায় গিয়ে বিস্ফোরণ ঘটায়।উল্লেখ্য গত শনিবার মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার বেতবাড়িয়া গ্রামের আবুল মালিথার ছেলে কালু মালিথার জমিতে কাজ করার সময় ল্যান্ড মাইন্ডগুলোর অংশগুলো দেখা যায়। পরে পুলিশের খবর দিলে জমিটি ঘিরে রাখে পুলিশ ও বিজিবি সদস্যরা।





























