
শাহিন মিয়া( অষ্টগ্রাম)
পূর্ব অষ্টগ্রাম অবৈধ মুরগির খামার স্থাপন করেন সালাউদ্দিন নামে এক ব্যক্তি।দৈনিক আলোকিত সকাল এর উপজেলা প্রতিনিধি শাহীন মিয়া এর ভুক্তভোগী ।তিনি বাদী হয়ে/২৬/০২/২০২৬ তারিখে ৮ নং পূর্ব অষ্টগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালতে প্যানেল চেয়ারম্যান বরাবর একটি আবেদন করেন ।প্যানেল চেয়ারম্যান নোটিশের মাধ্যমে বিবাদী সালাউদ্দিনকে ঢাকায় একে একে তিনবার নোটিশ দেওয়ার পরও সালাউদ্দিন প্যানেল চেয়ারম্যানের ডাকে সাড়া দেই নাই ।পরে শাহিন মিয়া অষ্টগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে এ বিষয়ে অবগত করেন ।উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশে, প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাক্তার আব্দুল আউয়াল, ভেটেনারি সার্জন মুস্তাফিজুর রহমান , প্যানেল চেয়ারম্যান সুরমা আক্তার পরিদর্শনে আসেন।নেই কোন ট্রেড লাইসেন্স , নেই কোন প্রাণী সম্পদ এর নীতিমালা এ বিষয়টি প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ আব্দুল্লাহ আওয়াল নিশ্চিত করেন | পরে প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তাপ্রতিবেশীদের লিখিত বক্তব্য নেন যে , খামারের মাধ্যমে ঠিষ্ঠার গন্ধ ছড়ায় কিনা এবং মুরগির ডাকাডাকির কারণে আপনাদের অসুবিধা হয় কিনা ।প্রতিবেশী অর্চনা রানী দেব বলেন, আমরা স্বামী স্ত্রী দুজনই অসুস্থ এ খামারের কারণে আমাদের বিরাট অসুবিধা হয় ।একথা কেন বলল এই কারণে সালাউদ্দিন বিবাদী ঐ হিন্দু মহিলাকে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করে, প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেয়।পরিস্থিতি খারাপ দেখে প্যানেল চেয়ারম্যান সহ অফিসাররা স্থান ত্যাগ করে।অফিসাররা যাওয়ার পরে খামারী সালাউদ্দিন হিন্দু বাড়িতে গিয়ে আক্রমণ করে এবং তাদের মেরে ফেলার হুমকি দেই এতে করে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার সৃষ্টি হয় এ বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে অবগত করায় থানা থেকে পুলিশ এসে ঘটনাটি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে যায়।পরে হিন্দু পরিবার আত্মরক্ষায় থানা একটি অভিযোগ করে।
অন্যদিকে সালাউদ্দিন খামারি তার নিজের মুরগী নিজে বিষ প্রয়োগের মাধ্যমে ২০ থেকে ৫০ টা মেরে ফেলে এবং ওই ঘটনা উল্লেখ করে থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেপ্রতিবেশী সকলের নাম দিয়ে ।অভিযোগের বিষয়টি ইউনু মহাদেবকে অবগত করা হয়।
এ বিষয়ে নির্বাহী কর্মকর্তা শাহিন মিয়াকে বলেন, আপনার জন্য আমি গিয়ে লাঠি মারতে পারবো না ।আপনি গিয়ে থানায় মামলা করেন আমি ওসিকে বলে দিচ্ছি |





























