
গাজী হাবিব, সাতক্ষীরা সাতক্ষীরার সদর উপজেলায় মোবাইল ফোনে বাড়ি থেকে ডেকে নেওয়ার পর চেয়ারম্যান প্রার্থীর পিএ'র লাশ একটি মাছের ঘের থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।সোমবার (২০ জুলাই) সকালে সদর উপজেলার লাবসা ইউনিয়নের পূর্ব কৈখালী গ্রামের একটি ঘের থেকে তাঁর লাশ উদ্ধার করা হয়।পরিবারের দাবি, তাঁকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। তবে পুলিশ বলছে, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার আগে মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না।নিহত সুমন হুসাইন (৩২) পূর্ব কৈখালী গ্রামের আব্দুল হামিদের ছেলে। তিনি সদর উপজেলার লাবসা ইউনিয়নের জামায়াতের চেয়ারম্যান প্রার্থী মনোয়ার হোসেন মমিনের প্রাইভেট কার চালাতেন এবং তার পিএ হিসেবে কাজ করতেন।নিহতের ভাই সোহাগ হোসেন বলেন, সুমন লাবসা ইউনিয়নের নলকুড়া গ্রামের বাসিন্দা ও সম্ভাব্য ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান প্রার্থী মনোয়ার হোসেন (মমিন)-এর পিএ এবং তার প্রাইভেট কারের চালক হিসেবে কাজ করতেন। রোববার রাতে অসুস্থ থাকায় তিনি আর্জেন্টিনা ও স্পেনের মধ্যকার ফুটবল খেলা দেখতে যাননি। রাত ১১টার দিকে পরিচিত একজনের ফোন পেয়ে তিনি বাড়ি থেকে বের হন। এরপর আর ফিরে আসেননি।সোমবার ভোরে পূর্ব কৈখালী গ্রামের কেসমত আলী তার মাছের ঘেরে কোমরসমান পানিতে উপুড় হয়ে থাকা সুমনের লাশ দেখতে পান। পরে পরিবারের সদস্যদের খবর দেওয়া হয়। পুলিশ এসে বেলা ১১টার দিকে লাশ উদ্ধার করে।পরিবারের সদস্যদের মতে, ঘটনাস্থলে সুমনের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি পাওয়া গেলেও সেটির দুটি সিম কার্ড ছিল না। তাঁদের অভিযোগ, পরিকল্পিতভাবে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে সুমনকে হত্যা করা হয়েছে।জামায়াতের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মনোয়ার হোসেন মমিন বলেন, দীর্ঘদিন ধরে সুমন তাঁর গাড়িচালক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িত ব্যক্তিদের বিচারের দাবি জানান।সাতক্ষীরা সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক সুশান্ত ঘোষ বলেন, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।তিনি আরো জানান, সোমবার দুপুর পর্যন্ত এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়নি।





























