
মোহাইমিনুল ইসলাম উলিপুর (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি:কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের যমুনা ঝেল্লাআম বাজারে পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধের জেরে এক ব্যবসায়ীকে মারধর, নগদ টাকা ছিনতাই, দোকানে ভাঙচুর এবং হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী মো. একরামুল হক (৬৪) উলিপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, যমুনা ঝেল্লাআম এলাকার বাসিন্দা মো. একরামুল হক দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় বাজারে গলামালের ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন। তার দাবি, একই এলাকার মো. ইদ্রিস আলীর কাছে দোকানের খরচ বাবদ তার কিছু পাওনা টাকা ছিল। ওই পাওনা টাকা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে উভয়ের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। গত ১৩ জুন ২০২৬ তারিখ রাত আনুমানিক ৮টার দিকে মো. ইদ্রিস আলী, মোহাম্মদ আলী (ড্রাইভার) এবং আরও ৩-৪ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি লাঠি, দা, কুড়াল ও লোহার রডসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তার দোকানে প্রবেশ করেন। এ সময় তারা তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকেন। তিনি এর প্রতিবাদ করলে অভিযুক্তরা সংঘবদ্ধভাবে তার ওপর হামলা চালায়।অভিযোগে আরও বলা হয়, হামলাকারীরা বাঁশের লাঠি ও লোহার রড দিয়ে এলোপাতাড়িভাবে মারধর করে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম করে। একপর্যায়ে তিনি দোকানের ভেতরে পড়ে গেলে মোহাম্মদ আলী তাকে গলা চেপে ধরে হত্যার চেষ্টা করেন। এতে তার শ্বাসরোধ হয়ে মৃত্যুর উপক্রম হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।এ সুযোগে মো. ইদ্রিস আলী দোকানের ক্যাশবাক্স থেকে দোকান নির্মাণ ও মালামাল বিক্রির মোট ১ লাখ ৬১ হাজার ৭০০ টাকা ছিনিয়ে নেন বলে অভিযোগ করেন একরামুল হক। এছাড়া দোকানের বিভিন্ন মালামাল ভাঙচুর করে প্রায় ১০ হাজার ৫০০ টাকার ক্ষতিসাধন করা হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন।ঘটনার সময় বাজারের লোকজন ও স্থানীয় কয়েকজন সাক্ষী এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করেন। পরে অভিযুক্তরা ধারালো অস্ত্র প্রদর্শন করে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।এদিকে অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ফলে তাদের মতামত জানা সম্ভব হয়নি।উলিপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাঈদ ইবনে সিদ্দিক জানান, “এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”




























