
আন্তর্জাতিক গ্লোবাল হেলথ সামিট-২০২৬ সম্মেলনে সম্মাননা অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন মীম শরৎ গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলহাজ মোহাম্মদ সোহাগ। দেশের খাদ্য নিরাপত্তা, পুষ্টি উন্নয়ন এবং কৃষিভিত্তিক শিল্পে দীর্ঘদিনের অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে এ সম্মাননা দেওয়া হয়।
বুধবার রাতে রাজধানীর গুলশানে অবস্থিত ওয়েস্টিন ঢাকায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী তাঁর হাতে এ পুরস্কার তুলে দেন। অনুষ্ঠানে মোট ১৮ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য সম্মাননা দেওয়া হয়।
পুরস্কার গ্রহণের পর আলহাজ মোহাম্মদ সোহাগ বলেন, আন্তর্জাতিক এই স্বীকৃতি তাঁকে আরও দায়িত্বশীল ও উৎসাহিত করবে। খাদ্য ফোর্টিফিকেশন, পুষ্টিবিজ্ঞান, বায়ো-এনজাইম প্রযুক্তি, গবেষণা ও উন্নয়ন (আরঅ্যান্ডডি) এবং গুণগত মান নিয়ন্ত্রণে অর্জিত অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে মীম শরৎ গ্রুপ স্বাস্থ্যসেবা, নিউট্রাসিউটিক্যাল ও ফার্মাসিউটিক্যাল খাতে নতুন উদ্যোগ বাস্তবায়নের পরিকল্পনা নিয়েছে।
তিনি বলেন, গবেষণাভিত্তিক বিনিয়োগের মাধ্যমে ভবিষ্যতে স্বাস্থ্য-সম্পূরক পণ্য, বিশেষায়িত পুষ্টিপণ্য এবং ওষুধ শিল্পে কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হবে। এ জন্য আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে সহযোগিতাও জোরদার করা হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশের ওষুধ শিল্প রপ্তানিতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। তবে রপ্তানির পাশাপাশি দেশের মানুষের জন্য স্বল্পমূল্যে মানসম্মত ওষুধ নিশ্চিত করাও জরুরি। এ ক্ষেত্রে আরও গবেষণার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
অনুষ্ঠানের আয়োজক ও গবেষক প্রফেসর ডা. এম. নাসির উদ্দিন বলেন, বাংলাদেশে আটা ও ময়দা ফোর্টিফিকেশনের ক্ষেত্রে মীম শরৎ গ্রুপ পথিকৃতের ভূমিকা পালন করেছে। ফোর্টিফিকেশনের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও খনিজ উপাদান যুক্ত হওয়ায় এসব খাদ্যপণ্য মানুষের পুষ্টি ঘাটতি পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
বর্তমানে ২৮টি সহযোগী প্রতিষ্ঠান নিয়ে পরিচালিত মীম শরৎ গ্রুপ দেশের অন্যতম বৃহৎ কৃষিভিত্তিক শিল্পগোষ্ঠী। কৃষি, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, ফোর্টিফাইড আটা ও চাল উৎপাদন, বিস্কুট শিল্প, সামুদ্রিক লজিস্টিকস, রিয়েল এস্টেট, চিংড়ি হ্যাচারি এবং আমদানি-রপ্তানিসহ বিভিন্ন খাতে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম বিস্তৃত।
প্রতিষ্ঠানটির উৎপাদিত ফোর্টিফাইড আটা, চাল ও পুষ্টিসমৃদ্ধ বিস্কুট বিভিন্ন সরকারি পুষ্টি কর্মসূচিতে ব্যবহৃত হচ্ছে। বিশেষ করে স্কুল ফিডিং কর্মসূচিতে ব্যবহৃত ফোর্টিফাইড বিস্কুট শিশুদের পুষ্টি উন্নয়নে ইতিবাচক অবদান রাখছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
অনুষ্ঠানে পরে ‘বাংলাদেশের ১০০ হেলথ কেয়ার টাইটেলস’ শীর্ষক একটি বিশেষ প্রকাশনার মোড়ক উন্মোচন করা হয়।




























