
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের আসন্ন কমিটিতে প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় আছেন ছাত্রলীগের সদ্য সাবেক সহ-সভাপতি মোঃ আল মামুন শিমন।
গত ৩০ শে জুন যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শাখার ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্তির ঘোষণা করা হয়েছে। কমিটি বিলুপ্তির পর থেকেই আলোচনায় আছেন ছাত্রনেতা মোঃ আল মামুন শিমন।
২০১৩ সালে কলেজ জীবন থেকেই তার ছাত্রলীগের সাথে রাজনীতির হাতেখড়ি শুরু। কলেজ পেরিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে ২০১৪ সাল থেকে অদ্যাবধি ছাত্রলীগের সাথে সক্রিয় আছেন। যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠা কালীন তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক ছিলেন। সদ্য সাবেক বিলুপ্ত কমিটিতেও তিনি সহ-সভাপতি পদে নিযুক্ত ছিলেন।
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগ প্রতিষ্ঠা ও ছাত্রশিবির নিধনে তিনি সক্রিয় ভুমিকা পালন করেন। রাজনীতিতে থাকার পাশাপাশি সাধারণ শিক্ষার্থীদের অর্থনৈতিক চাপ লঘু করার জন্য সেমিস্টার ফি কমানোর দাবি আদায়ে শিক্ষার্থীদের সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে অগ্রগন্ন ভুমিকা পালন করেন।
যশোর - ৩ আসনের এমপি কাজী নাবিল আহমেদের সমর্থনে দ্বাদশ নির্বাচনে প্রচারণা চালানোয় দূর্বিত্তদের আক্রমণের শিকার হন। যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শিবির নিধনেও তিনি হামলার শিকার হন।
ছাত্রনেতা আল মামুন শিমন দৈনিক আলোকিত সকালকে বলেন, "বঙ্গবন্ধুর নিজ হাতে গড়া সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের একজন কর্মী হিসেবে আমি নিজেকে গর্বিত মনে করি। আমার বড় চাচা একজন মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার এবং মেঝো ও সেঝো চাচাও বীর মুক্তিযোদ্ধা, আমার পরিবার বঙ্গবন্ধুর সময় থেকেই আওয়ামিলীগ এর সাথে সম্পৃক্ত। পরিবারের থেকেই মুজিবীয় আদর্শ ধারণ করা শিখেছি। আমি চাই, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগকে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার স্মার্ট বাংলাদেশ-২০৪১ বিনির্মানের আদর্শ সৈনিক হিসেবে গড়ে তুলতে। যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগকে দেশের অন্যতম আদর্শ ইউনিট হিসেবে গড়ে তুলতে। যেন বাংলাদেশের ছাত্র রাজনীতিতে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ একটি মডেল হিসেবে নিজেদেরকে সংগঠিত করতে পারি।"





























