
মজিদ আইসিইউতে; আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবি মোঃ রেজাউল আজিম, বাঁশখালী প্রতিনিধি :চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে পূর্ববিরোধের জেরে হামলার ঘটনায় একই পরিবারের স্ত্রী-পুত্রসহ চারজন আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। আহতদের মধ্যে আবদুল মজিদ নামে এক ব্যক্তি গুরুতর আহত হয়ে বর্তমানে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের পর একজন আসামি গ্রেপ্তার হলেও অন্য আসামিরা গ্রেপ্তার না হওয়ায় তাদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন আহত পরিবারের সদস্যরা।ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার বৈলছড়ী ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের চেচুরিয়া এলাকায়।মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, পূর্ববিরোধের জেরে আব্দুল আলিম, আব্দুল ছলিম, শাহাদাৎ মঞ্জিলা ও সাকি আকতারসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে সংঘবদ্ধভাবে হামলার অভিযোগ করা হয়েছে। হামলায় আবদুল মজিদ, তার স্ত্রী নিলুফা আকতার হিরু ও তাদের পুত্রসহ পরিবারের চারজন আহত হন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।আহত আবদুল মজিদের স্ত্রী নিলুফা আকতার হিরু এ ঘটনায় বাদী হয়ে বাঁশখালী থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় আব্দুল আলিম ও আব্দুল ছলিম (উভয়ের পিতা মৃত সিরাজ মিয়া), শাহাদাৎ মঞ্জিলা (স্বামী আব্দুল ছালিম) এবং সাকি আকতার (স্বামী আব্দুল আলিম)কে আসামি করা হয়েছে।এজাহারে আরও বলা হয়, হামলায় আবদুল মজিদ গুরুতর আহত হন। প্রথমে তাকে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হলেও পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তিনি আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।মামলায় দণ্ডবিধির ১৪৩, ১৪৮, ৪৪৭, ৩২৩, ৩২৪, ৩২৫, ৩২৬, ৩০৭, ৩৫৪, ৩৭৯ ও ৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।আহত পরিবারের অভিযোগ, ঘটনার পর চারজন আহত হলেও আসামিদের সবাই গ্রেপ্তার না হওয়ায় তারা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। তারা প্রতিশোধ নয়, বরং নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটন এবং দায়ীদের আইনের আওতায় এনে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।তবে অভিযুক্তদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।এ বিষয়ে বাঁশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রবিউল হক বলেন, “এটি আপন ভাইয়ে ভাইয়ে মারামারির ঘটনা। এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। মামলার তিন নম্বর আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।”পুলিশ জানিয়েছে, মামলার তদন্ত ও আসামিদের গ্রেপ্তারের বিষয়ে আইনানুগ প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে।




























