
স্টাফ রিপোর্টার সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলার বংশীকুন্ডা দক্ষিণ ইউনিয়ন যেন আজ এক অদৃশ্য উত্তাপের ভেতর দাঁড়িয়ে আছে। নীরব গ্রাম্য জীবনের আড়ালে লুকিয়ে থাকা ক্ষমতার হিসাব-নিকাশে ভারী হয়ে উঠেছে পুরো ইউনিয়ন পরিষদের পরিবেশ।ভারপ্রাপ্ত ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ দেলোয়ার হোসেনকে ঘিরে অপসারণের দাবি উঠলেও, তিনি তা স্পষ্টভাবে অস্বীকার করে এটিকে একটি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তার ভাষায়,স্বার্থান্বেষী একটি মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাকে ঘিরে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে।স্থানীয় সূত্র বলছে,ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক আমানুল্লাহ মেম্বারকে চেয়ারম্যানের আসনে বসানোর লক্ষ্য নিয়ে একটি পক্ষ দীর্ঘদিন ধরে নীরবে সক্রিয় রয়েছে। সেই নীরব তৎপরতার ছায়া এখন প্রকাশ্য আলোচনায় রূপ নিয়েছে,আর তাতেই ইউনিয়নজুড়ে তৈরি হয়েছে বিভক্তি ও উত্তেজনা।গ্রাম্য পথ-ঘাট, চায়ের দোকান থেকে শুরু করে পরিষদের আঙিনা পর্যন্ত—সবখানেই এখন একই প্রশ্নের প্রতিধ্বনি, কে থাকবে নেতৃত্বের শীর্ষে? কে ধরবে ইউনিয়নের হাল।তবে অভিযোগ-প্রতিঅভিযোগের এই ধোঁয়াশার ভিড়ে আমানুল্লাহ মেম্বারের কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।একাধিকবার উনার ফোন নাম্বারে চেষ্টা করলেও ফোন রিসিভ না করায় কথা বলা সম্ভব হয়নি।এদিকে,পুরো ঘটনাকে ঘিরে বংশীকুন্ডা দক্ষিণ ইউনিয়নে এক ধরনের অস্থিরতা ও অজানা শঙ্কা বিরাজ করছে। সচেতন মহল বলছে, দ্রুত প্রশাসনিক নজরদারি ও সুষ্ঠু সমাধান না এলে এই নীরব উত্তাপ আরও গভীর সংকটে রূপ নিতে পারে।





























