
মোঃ সোহরাব উদ্দিন মন্ডল,গাজীপুর আর মাত্র একদিন পর মুসলমানদের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আজহা। পরিবারের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে দীর্ঘ ছুটিতে গ্রামের পথে ছুটছেন লাখো ঘরমুখো মানুষ। তবে টানা বৃষ্টি ও যানবাহন সংকটে গাজীপুরের দুই মহাসড়কে বেড়েছে যাত্রীদের দুর্ভোগ। পর্যাপ্ত বাস না পেয়ে অনেকেই খোলা ট্রাক ও পিকআপে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বাড়ির পথে রওনা হচ্ছেন। এতে বৃষ্টি ও যানবাহন সংকটে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে যাত্রীদের।মঙ্গলবার (২৬ মে) সকাল ১১টার দিকে শুরু হয় তুমুল বৃষ্টি। এরপর থেকেই বাড়তে থাকে দুর্ভোগ। বৃষ্টির সঙ্গে যুক্ত হয়েছে দীর্ঘ যানজট। অনেক যাত্রীকে এখনো মহাসড়কের পাশে ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানবাহনের অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে। বৃষ্টিতে ভিজে দুর্ভোগে পড়েছেন নারী, শিশু ও বয়োজ্যেষ্ঠ যাত্রীরা।সোমবার থেকে শিল্পাঞ্চল গাজীপুরের বিভিন্ন কারখানায় ঈদের ছুটি শুরু হয়। ওইদিন বিকেল থেকেই মহাসড়কে নামে ঘরমুখো মানুষের ঢল, যা এখনো অব্যাহত রয়েছে। এর মধ্যে টানা বৃষ্টিতে ভোগান্তি আরও কয়েকগুণ বেড়ে গেছে। কারখানা সূত্রে জানা যায়, শিল্পাঞ্চল গাজীপুরে প্রায় পাঁচ হাজার ছোট-বড় শিল্পকারখানা রয়েছে। এর মধ্যে অর্ধেক কারখানায় সোমবার ছুটি ঘোষণা করা হয়। বাকি কারখানাগুলো মঙ্গলবার দুপুরের মধ্যেই ছুটি দেয়।ঢাকা-টাঙ্গাইল ও ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের চৌরাস্তা, নাওজোর, কোনাবাড়ী, মৌচাক, শফিপুর, চন্দ্রা, জিরানী বাজার, শ্রীপুর, বলিভদ্র ও বাইপাইলসহ বিভিন্ন বাসস্ট্যান্ডে দেখা গেছে ঘরমুখো মানুষের তীব্র চাপ। নির্দিষ্ট গন্তব্যের যানবাহন না পেয়ে চরম দুর্ভোগে পড়েন যাত্রীরা। বাড়তি ভাড়া যেন সেই দুর্ভোগ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে কয়েকগুণ। যাত্রীদের অভিযোগ, মহাসড়কে উঠতে আঞ্চলিক সড়কগুলোতে গুনতে হচ্ছে স্বাভাবিকের তুলনায় তিন থেকে চার গুণ বেশি ভাড়া।এদিকে গাজীপুর শিল্প পুলিশের পুলিশ সুপার আমজাদ হোসাইন বলেন, গাজীপুরে প্রায় পাঁচ হাজার ছোট-বড় শিল্পকারখানা রয়েছে। সোমবার দুপুরের পর থেকেই বিভিন্ন কারখানায় ছুটি শুরু হয়েছে। একদিকে বৃষ্টি, অন্যদিকে অতিরিক্ত যাত্রীর চাপ থাকায় কিছুটা বেগ পেতে হলেও পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করছে হাইওয়ে পুলিশ।




























