
আরফাত হোসেন- বিশেষ প্রতিনিধি:
বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে চাঁদ দেখার খবরের ভিত্তিতে ২৭ মে (বুধবার) চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলাস্থ জাহাঁগিরিয়া শাহ সূফী মমতাজিয়া দরবার শরীফের অনুসারীরা পবিত্র ঈদুল আযহা উদযাপন করেছেন।
দরবারের অনুসারীদের পাশাপাশি দক্ষিণ চট্টগ্রামের প্রায় ১২০ গ্রামসহ সারাদেশের কয়েক লক্ষাধিক পরিবার ঈদের নামাজ, পশু কোরবানি ও ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতায় অংশগ্রহণ করেন।
দরবার শরীফ সূত্রে জানা যায়, বিশ্বের যেকোনো স্থানে চাঁদ দেখার সংবাদ প্রমাণিত হলে ইসলামি মাস গণনার ভিত্তিতে তারা রোজা, ঈদ ও অন্যান্য ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন করে থাকেন। প্রতি বছরের ন্যায় এবারও বিশ্বের যে কোথাও জিলহজ্ব মাসের চাঁদ দেখার খবরের ভিত্তিতে তারা ঈদুল আযহা উদযাপন করেন।
চন্দনাইশের জাহাঁগিরিয়া শাহ সূফী মমতাজিয়া দরবার শরীফের জামে মসজিদে ঈদুল আযহার দুইটি
জামাত অনুষ্ঠিত হয়। ১ম জামাত সকাল ৮টায় দরবার শরীফের পীর সাহেব আলহাজ্ব মাওলানা হযরত শাহসুফি সৈয়্যদ মোহাম্মদ আলী শাহ (মা. জি. আ.)'র ইমামতিতে অনুষ্ঠিত হয়। দ্বিতীয় জামাত সকাল ৯টায় অনুষ্ঠিত হয়। জামাতে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি এবং কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করা হয়।
এছাড়াও দরবার শরীফ পরিচালিত “শাহসুফি মমতাজিয়া ইমাম কল্যাণ সোসাইটি”-এর উদ্যোগে দেশের বিভিন্ন জেলায় আরও দেড় শতাধিক মসজিদে পৃথকভাবে ঈদুল আযহার জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে জানা গেছে।
এ বিষয়ে শাহাজাদা মাওলানা মুহাম্মদ আহসান আলী বলেন, “হানাফি মাযহাবসহ আরো দুই মাযহাবের ইমাম, ইমাম আহমদ বিন হাম্বল ও ইমাম মালিক (রহ.)'র মতে রোজা ফরজ হওয়া, ঈদ করা, কোরবানি করা, শবে বরাত, শবে কদরসহ অন্যান্য ইসলামী পর্বসমূহের আমল ফরজ, ওয়াজিব ও সুন্নাত সাব্যস্ত হয় মাসের উপস্থিতির মাধ্যমে, স্থানীয়ভাবে চাঁদ দেখার মাধ্যমে নয়। তাই পৃথিবীর আকাশে কোথাও চাঁদ দেখা বা চাঁদের অস্তিত্ব প্রমাণিত হলেই মাসের অস্তিত্ব প্রমাণিত হবে। আর মাসের অস্তিত্ব প্রমাণিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সমগ্র বিশ্ববাসীর উপর মাস সংশ্লিষ্ট ইবাদতসমূহ ফরজ ও ওয়াজিব সাব্যস্ত হবে।





























