
চবি প্রতিনিধি
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত কলেজগুলোর ছাত্রদের সমন্বয়ে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে পুলিশ হামলা চালিয়েছে এতে দুই নারী শিক্ষার্থীসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়।
বৃহস্পতিবার (১১-ই জুলাই ২৪) বিকালে চট্টগ্রামের বটতলী স্টেশন থেকে সরকারি চাকরির সকল গ্রেডে অযোক্তিক ও বৈষম্যমূলক কোটা বাতিল করে কোটাপদ্ধতি সংস্কার করার এক দফা দাবিতে বাংলা ব্লকেড কর্মসূচি পালনের উদ্দেশ্য শিক্ষার্থীরা নগরীর টাইগার পাস এলাকায় অবস্থান করে। দুপুর ২:৩০ বটতলী থেকে শিক্ষার্থীরা শান্তিপূর্ণ লং মার্চ নিয়ে টাইগার পাস আসলে পিছনে থেকে পুলিশ অতর্কিত হামলা চালায়। হামলায় গুরুতর আহতদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
চট্টগ্রামে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক ও চবি শিক্ষার্থী রাসেল আহমেদ বলেন, আমরা শান্তিপূর্ণ ভাবে আমাদের দাবি আদায়ে কর্মসূচি পালন করছি। কিন্তু পুলিশ আমাদের যৌক্তিক আন্দোলনে বাধা দেয়। তাদের সাথে শিক্ষার্থীদের তর্কাতর্কি হলে একপর্যায়ে তারা আমাদের উপর হামলা করে এসময় আমাদের দুইবোন সহ মোট পাঁচ জন আহত হয়।
আরেক সমন্বয়ক খান তালাত মাহমুদ রাফি বলেন, পুলিশের বাধার মুখে আমরা টাইগারপাস থেকে লংমার্চ করে ২নং গেটে আসতে থাকি। পথিমধ্যে আমাদের কয়েকজন সহযোদ্ধা পিছিয়ে পড়লে ওয়াসা মোড়ে ছাত্রলীগের কর্মীরা পুলিশের সামনে তাদের উপর হামলা করে।
তিনি আরো বলেন, আমরা আমাদের লং মার্চ নিয়ে ২ নং গেটে পৌছানো মাত্রই পুলিশ মিছিলের পেছন থেকে এলোপাতাড়ি লাঠিচার্জ করে। এতে আমরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যাই। পরে সব শিক্ষার্থীরা জড়ো হয় চৌরাস্তা মোড়ে অবস্থান নিই।
আরেক সমন্বয়ক মাহফুজুর রহমান বলেন, আমাদের শান্তিপূর্ণ যৌক্তিক আন্দোলনে পুলিশের লাঠিচার্জ কোনোভাবেই কাম্য নয়। আমরা এর তীব্রনিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। আমাদের ভাইয়ের রক্ত বৃথা যেতে দিব না, আমাদের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমরা রাজপথ ছাড়ব না।
তবে পুলিশের লাঠিপেটা বিষয়টি অস্বীকার করেন নগর পুলিশের উপকমিশনার (উত্তর)৷ সন্ধ্যা ছয়টায় দুই নম্বর গেট এলাকায় তিনি বলেন, 'এ ধরনের কোনো ঘটনায় ঘটেনি। জনদুর্ভোগ কমাতে আমরা টাইগারপাস এলাকায় প্রথম ব্যারিকেড দিয়েছিলাম। কিন্তু তারা ব্যারিকেড ভেঙে এখানে এসেছে। মানুষের দুর্ভোগ কমাতে আমরা আমাদের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। '





























