
স্টাফ রিপোর্টার মানুষের বিপদের সময় পাশে দাঁড়ানোর জন্য সবসময় বড় কোনো আয়োজনের প্রয়োজন হয় না। কখনো একটু সহায়তা,কখনো সাহসের দুটো কথা, আবার কখনো নিঃশব্দে বাড়িয়ে দেওয়া একটি হাতই বদলে দিতে পারে কারও জীবনের কঠিন সময়।তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মেহেদী হাসান মানিকের কর্মকাণ্ডে যেন সেই মানবিকতারই প্রতিচ্ছবি দেখা যায়। প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনে কঠোর হলেও মানুষের প্রয়োজনে তাঁর দরজা খোলা থাকে—আর অনেক সময় সেই সহায়তা আসে প্রচারের আড়ালেই।অসহায় মানুষের চিকিৎসায় পাশে দাঁড়ানো থেকে শুরু করে শীতার্ত মানুষের খোঁজ নিতে গভীর রাতে ছুটে যাওয়া,আবার অনিয়মের বিরুদ্ধে রাতের আঁধারে অভিযানে নামা—দায়িত্বের পাশাপাশি মানবিকতার জায়গা থেকেও মাঠে সক্রিয় রয়েছেন তিনি। টাঙ্গুয়ার হাওরের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায়ও ঝুঁকি নিয়ে কাজ করেছেন।ফলে স্থানীয়দের কাছে তাঁর পরিচয় শুধু একজন প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে নয়,মানুষের প্রয়োজনের সময় পাশে থাকা একজন কর্মকর্তা হিসেবেও তৈরি হয়েছে।এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকালে এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পাওয়া মোয়াজ্জেমপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের মেধাবী শিক্ষার্থী জিহাদুল ইসলামের পাশে দাঁড়িয়েছেন ইউএনও মেহেদী হাসান মানিক। অর্থনৈতিক সংকটে যেন মেধাবী এই শিক্ষার্থীর উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন থেমে না যায়,সেই লক্ষ্যেই তাকে সহায়তা করা হয়।ইউএনও মো.মেহেদী হাসান মানিক বলেন,এই মেধাবী শিক্ষার্থীর উচ্চশিক্ষা ও ভবিষ্যতের পথচলা যেন কোনো প্রতিবন্ধকতায় থেমে না যায়,সে লক্ষ্যেই সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।সহায়তা পেয়ে আনন্দিত জিহাদুল ইসলাম। তার পরিবারও ইউএনওর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে। এ উদ্যোগের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই প্রশাসনের এই মানবিক ভূমিকার প্রশংসা করেছেন।




























