
চলছে মাসব্যাপী অমর একুশে বইমেলা।
এবারের বইমেলাতেও জমে উঠেছে নবীন-প্রবীণ লেখকদের উপস্থিতি আর তাদের বই-এ। মেলায়
এবারের বইমেলা নিয়ে কথা হয় তরুণ লেখক কামরান চৌধুরীর সঙ্গে। কথা বলেছেন
দৈনিক আলোকিত সকালের আলোকিত সাহিত্য বিভাগের প্রধান তানজিদ শুভ্র…
এবার মেলায় আপনার কোনো বই আসে নি।
ব্যস্ততা কী নিয়ে?
- এবারের
মেলায় নতুন বই না আসার কারণ হলো পড়াশোনা, পরীক্ষা সাথে চাকুরীর জন্য প্রস্তুতি নেওয়ার কারণে পান্ডুলিপি
সম্পন্ন করতে পারি নি। এছাড়া মানসিকভাবে কিছুটা ভালো নেই আমি। তবে মেলায় এসেছি, নবীন-প্রবীণ
লেখকদের সাথে দেখা হয়ে ভালো লেগেছে। এবারে খুব কম বই কেনা হয়েছে। তবে থ্রিলার কিছু
উপন্যাস, কবিতার
বই, প্রিয় কিছু লেখকদের বই কেনা হয়েছে। সময়
নিয়ে পড়বো ইনশাআল্লাহ।
আপনার পুরাতন বইগুলো পাঠক কোথায়
পাবে?
- পুরাতন বইগুলোর মধ্যে পাঠকেরা কাব্যের নিশাচর, নিথর ইস্টিশন আপাততো পাবে না। কারণ বইগুলো অফলাইন/অনলাইন কোথাও আপাততো নেই। তবে কাব্যগ্রন্থ ‘অখ্যায়িকা’ পাবেন বইমেলার দুয়ার প্রকাশনীর ৩৫৬নং স্টলে। এছাড়া অনলাইন বুকশপ রকমারি, প্রকাশনীর ফেসবুক পেইজ তো আছেই।
চলতি বইমেলা নিয়ে আপনার অভিমত কী?
- চলতি
বইমেলায় গত বছরের তুলনায় বেশ ভীড় আছে। তবে পাঠকদের ভীড় যেন কম মনে হয়েছে। বেশিরভাগ
প্রকাশনীতে হয়তো কম বা বেশী বই বিক্রয় হচ্ছে। তবে প্রায় প্রকাশক ও লেখকদের চোখে
যেন হতাশার ছাপ দেখা যায়।
আলোচিত/সমালোচিত কিছু ঘটনার সাক্ষী
এবারেরও বইমেলা... এ নিয়ে কী বলবেন?
- আসলে
দেখুন, স্মার্ট বাংলাদেশের এই যুগে সবাই পাঠক
হবার চেয়ে যেন লেখক হয়ে উঠছে। যে যা পারছে, লিখে যাচ্ছে। সুযোগ পেলেই বই প্রকাশ করছে। লেখক হওয়াটা দোষের
নয়, তবে একজন লেখক হবার আগে তাকে প্রচুর
পড়তে হবে। তবে যাদের বই পড়ার অভ্যাস কম, কিছুটা একটা করে ভাইরাল হয়ে হঠাৎ করে বই লিখে ফেলছে। এই
বিষয়টি বাংলা সাহিত্যের জন্য বোধগম্য নয় বলে আমি মনে করি। বাংলা সাহিত্যের একটা
ধারা আছে, নিজস্ব শব্দ ও ব্যাকরণ আছে। বর্তমানে
কথিত ভাইরাল লেখক কতটা ব্যাকরণ জানে, শব্দচয়ন বোঝে তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। তাই সবারই উচিত, আগে পড়া এবং পড়া, তারপর লেখা।







































