
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় পাশাপাশি দুটি বাড়িতে পরিবারের সদস্যদের হাত–পা ও মুখ বেঁধে দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। ডাকাত দল নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার ও মোবাইল ফোন লুট করে নিয়ে গেছে। বৃহস্পতিবার ভোররাতে ফতুল্লার ভূইগড় পূর্বপাড়া আল আকসা মসজিদ সড়কে ব্যবসায়ী আমজাদ মিয়া ও কুদ্দুস মিয়ার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ জানিয়েছে, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। ভুক্তভোগীরা লিখিত অভিযোগ দিলে মামলা নেওয়া হবে। ডাকাতদের শনাক্তে অভিযান চলছে।
ভুক্তভোগী আমজাদ মিয়া বলেন, তিনি ইলেকট্রনিক পণ্যের ব্যবসা করেন। ঈদের ছুটিতে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে কক্সবাজারে যান। বাসায় শ্যালক হাফেজ সাইফুল্লাহ ছিলেন। বৃহস্পতিবার ভোরে ফিরে এসে দেখেন, সাইফুল্লাহর হাত–পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় মেঝেতে পড়ে আছেন। পরে তাঁর কাছ থেকে জানা যায়, ভোররাতে ২০ থেকে ২৫ বছর বয়সী ১৫–১৮ জনের একটি দল ধারালো অস্ত্র নিয়ে বাড়ির গেটের তালা কেটে ভেতরে ঢোকে। তারা সাইফুল্লাহকে বেঁধে আলমারি ভেঙে প্রায় ৫ ভরি স্বর্ণালংকার ও ১ লাখ ১৫ হাজার টাকা লুট করে।
এরপর ডাকাতরা পাশের বাড়ি কুদ্দুস মিয়ার বাড়িতে যায়। কুদ্দুস মিয়ার ছেলে জোবায়ের হোসেন জানান, দেয়াল টপকে বাড়িতে ঢুকে ডাকাতরা প্রথমে তাঁর হাত–পা ও মুখ বেঁধে ফেলে। পরে তাঁর বাবা-মাকে জিম্মি করে ডাকাতরা আলমারি ভেঙে প্রায় ৪ ভরি স্বর্ণালংকার, ২০ হাজার টাকা ও দুটি মোবাইল ফোন নিয়ে যায়। কোনো ধরনের চিৎকার করলে ছেলেকে হত্যা করার হুমকি দেওয়া হয় বলেও জানান তিনি।
ডাকাতরা চলে যাওয়ার পর স্থানীয় লোকজন এসে তাঁদের উদ্ধার করেন।
ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মান্নান বলেন, “ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। লিখিত অভিযোগ পেলে মামলা নেওয়া হবে। জড়িতদের শনাক্তে পুলিশ কাজ করছে।”




























