
মোঃ কাওছার আহম্মেদ, গাইবান্ধা ঃ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমভিত্তিক “গাইবান্ধা টিভি” নামের একটি ফেসবুক পেজে বল্লমঝাড় বাজারের ব্যবসায়ী মো. রিপন সরকার এবং তার প্রতিষ্ঠান ‘রিপন ষ্টোর’ কে জড়িয়ে প্রকাশিত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন তিনি। প্রকাশিত প্রতিবেদনে তার বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসা, ভেজাল পণ্য বিক্রি এবং শিক্ষার্থীদের লক্ষ্য করে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনার মতো গুরুতর অভিযোগ আনা হলেও এসব অভিযোগকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন তিনি। প্রতিবাদলিপিতে রিপন সরকার বলেন, “আমি দীর্ঘদিন ধরে বল্লমঝাড় বাজারে সুনামের সঙ্গে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছি। আমার ব্যক্তি, পরিবার এবং ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে একটি মহল পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে। তিনি আরও বলেন, “আমার বিরুদ্ধে যে মাদক ব্যবসার অভিযোগ আনা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ অসত্য ও কল্পনাপ্রসূত। আমি কখনো কোনো অবৈধ কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিলাম না। যদি কারও কাছে অভিযোগের পক্ষে কোনো গ্রহণযোগ্য প্রমাণ থাকে, তাহলে তা সংশ্লিষ্ট আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে উপস্থাপন করা হোক। আমি যেকোনো নিরপেক্ষ তদন্তে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত। গভীর রাতে দোকান খোলা রাখা এবং রহস্যজনক মোটরসাইকেলের মাধ্যমে ব্যাগ আদান-প্রদানের বিষয়ে তিনি বলেন, “এসব তথ্য সম্পূর্ণ মনগড়া এবং কোনো বাস্তব ঘটনার সঙ্গে এর মিল নেই। আমার সামাজিক অবস্থান ক্ষতিগ্রস্ত করার জন্যই এমন কল্পিত গল্প তৈরি করা হয়েছে। রঘুনাথপুর মোহাম্মদ আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বিষয়ে করা অভিযোগ প্রসঙ্গে রিপন সরকার বলেন, “আমার দোকানে এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ কেনাকাটা করতে আসেন। শিক্ষার্থীদের স্বাভাবিক উপস্থিতিকে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত করা অত্যন্ত দুঃখজনক এবং দায়িত্বজ্ঞানহীন। তিনি অভিযোগ করেন, সংবাদ প্রকাশের আগে তার বক্তব্য গ্রহণ করা হয়নি এবং অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়েরও কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। ফলে এটি একপাক্ষিক ও সাংবাদিকতার নীতিমালাবহির্ভূত উপস্থাপনা বলে তিনি মনে করেন। রিপন সরকার সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, “সত্য উদঘাটনের স্বার্থে নিরপেক্ষ তদন্ত হোক। তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা জনগণের সামনে তুলে ধরা হলে সকল বিভ্রান্তির অবসান ঘটবে। আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং আইনগত যেকোনো প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করব। পরিশেষে তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রকাশের আগে তথ্য-উপাত্ত যাচাইয়ের আহ্বান জানান এবং তার বিরুদ্ধে প্রকাশিত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানান।




























