
স্টাফ রিপোর্টারঃ গাজীপুর মহানগর ২৪ নং ওয়ার্ড গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন পৌর ভূমি অফিসের আওতাধীন ফাকাইল মৌজার খতিয়ান এস এ-৪০ খতিয়ান আর এস-২৭ দাগ এস এ-৬৪ দাগ আর এস-১১৬ নং দাগে মোসাম্মৎ ফাতেমা খাতুন ১৯/০৪/১৯৮০ সনে ৪১০৩ এওয়াজ পরিবর্তন দলিলে মালিকানা লাভ করেন।পরবর্তীতে নুরুদ্দীন চৌধুরী ৩১/০১/১৯৮৩ সনের ১৮৪১ নাম্বার দলিল এবং মোহাম্মদ সামসুল হক তালুকদার ২৩/০২/১৯৮৩ সনের ১৯০৫ নাম্বার বিতর্কিত দলিল দুটি দ্বারা মালিকানা দাবি করেন। ফাতেমা খাতুন ১৮৪১,১৯০৫ এই দুইটি বিতর্কিত দলিলের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন যাহার মামলা নং ৩৬০/১৯৮৩। উক্ত মামলা বিজ্ঞ আদালত সকল দিক বিবেচনা করে ২০/০৯/১৯৮৪ সনে ফাতেমা খাতুন এর পক্ষে রায় ঘোষণা করেন। এবং ১৮৪১ নাম্বার ও ১৯০৫ নাম্বার দুটি দলিল বাতিল বলিয়া গণ্য হয়।১৯/০৪/১৯৮০ সনে ৪১০৩ এওয়াজ পরিবর্তন দলিলে ও মামলার রায় উপস্থাপন করে। ফাকাইল মৌজাস্থিত নামজারী ও জমাভাগ নথি নং ২০১৩৫/২১-২২ জোত নং-৭৯০ এর মন্জুরী আদেশ রাষ্ট্রীয় অধিকগ্রহণ ও প্রজাতন্ত্র আইন১৯৫০ এর ১৪৩ ধারা অনুসারে নামজারী ও জমাখারিজ আনে। ২০/০৬/২০২২ ইং তারিখ রাফে মোহাম্মদ ছড়া সহকারী কমিশনার (ভূমি) গাজীপুর সদর উপজেলা, গাজীপুর স্বাক্ষরিত ছিলো। ফাতেমা খাতুন ও তার ওয়ালী ওয়ারিশগণ বলেন লুৎফুর রহমান আমার নামজারি বাতিল করার জন্য আবেদন করেন এবং ভুল তথ্য ও মামলা রায় উপস্থাপন না করে নোটিশ গায়েব করে দিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি করে।
মুঠোফোনে লুৎফর রহমানের সাথে যোগাযোগ হলে মামলার রায় ও নোটিস গাইব সম্পর্কে জিজ্ঞেস করিলে বলেন যে আমি খারিজ বাতিল করার আবেদন করেছি। নোটিশ ডাক যোগে পাঠানো হয় এই সম্পর্কে আমি জানিনা। মামলার রায়ের কপি দেখি নাই যতটুকু শুনেছি এটা ভুয়া কাগজ । তবে এই মামলার রায় চ্যালেঞ্জ করে মামলা করবে বলে জানান।।
এমত অবস্থায় ফাতেমা খাতুন বলেন প্রায় চল্লিশ বছর পূর্বে মামলার রায় হয় তাই আমার কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করে সঠিক তদন্তের মাধ্যমে আমার নামজারী বহাল রাখার জন্য প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি।





























